1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবলে ইন্টারনেটের দাম অর্ধেকে নামতে পারে: আইএসপিএবি সভাপতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অপরিণামদর্শী ও স্থিতিশীলতার অন্তরায়: আইপিডি চীনের হেফেই শহরে বসেছে ২০২৬ বিশ্ব উৎপাদন সম্মেলন সরকারি চাকরিজীবীদের বিদেশ ভ্রমণ ও পাসপোর্টে নতুন নিয়ম নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি: ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ল ১৭-২০ শতাংশ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ভালো উইকেটে দুইশর বেশি, খারাপ উইকেটে ১৪০-১৬০ রান করতে চায় বাংলাদেশ বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : কৃষিমন্ত্রী

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি: ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ল ১৭-২০ শতাংশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা-বরিশাল রুটে সরাসরি যাত্রীবাহী লঞ্চের ডেকের ভাড়া ১৭ শতাংশ ও কেবিনের ভাড়া ২০ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও লঞ্চ মালিকদের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বরিশাল-ঢাকা রুটের মানামা লঞ্চের ম্যানেজার জিয়াউল হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, লঞ্চের ভাড়া কম হওয়ায় এমনিতেই লোকসান হচ্ছিল। যাত্রী সংকটে সেই লোকসান আরও বাড়ছিল। এর মধ্যে তেলের দাম বৃদ্ধি লোকসানের বোঝা আরও ভারী করেছে।

‘এ কারণে লঞ্চ মালিক সমিতি ঢাকা-বরিশাল রুটে ডেকের ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা ও ডাবল কেবিনের ভাড়া ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করেছে। নতুন ভাড়া আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে’, বলেন তিনি।

লঞ্চ মালিকদের সূত্র জানায়, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে দেওয়া এক চিঠিতে সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার প্রেসিডেন্ট গোলাম নবী আলমগীর।

চিঠিতে বলা হয়, ইতোমধ্যে বিআইডব্লিউটিএ বিভিন্ন ফি ও চার্জ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ ও বার্দিং চার্জ ১১৪ শতাংশ বেড়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফিও ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি নৌযানের বিশেষ অনুমতি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল এবং মালিকানা, নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, শ্রমিকদের মজুরি, ডিজি শিপিংয়ের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশন ফি, নাম পরিবর্তন ফি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর ও ভ্যাটও বেড়েছে। পাশাপাশি লঞ্চ নির্মাণ ও পরিচালনায় ব্যবহৃত প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস ও রংয়ের দাম এবং স্পেয়ার পার্টস ও ডকিংসহ বিভিন্ন খরচ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে যাত্রীরা সড়কপথে বেশি যাতায়াত করায় লঞ্চে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী হচ্ছে না। এতে লঞ্চ মালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা, ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ৪ টাকা ২ পয়সা এবং সর্বনিম্ন যাত্রীভাড়া ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় বাড়তি ডিজেলের দাম বাতিলের দাবি জানানো হয়।

বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. সলেমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ইতোমধ্যে বরিশালের লঞ্চ মালিকরা ভাড়া বাড়িয়েছেন। ডেকের ভাড়া ১৭ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

তিনি বলেন, লোকসানের কারণে লঞ্চ মালিকরা এ ভাড়া বাড়িয়েছেন। তবে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026