1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ

১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে শঙ্কার ছায়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাময়িকভাবে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

এর আগে গত জুলাইয়ে সর্বশেষ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছিল।

এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০০ দশমিক ০১ ডলারে ওঠে। পরে সেটি কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৯ দশমিক ৯৩ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের নভেম্বর সরবরাহের ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ৫৮ ডলারে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তেলবাহী জাহাজে হামলা বাড়ায় বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।

মঙ্গলবার একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে পাঁচটি ইরানি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজটি ইরানের হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি বলেও জানিয়েছে সেন্টকম।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাত এরই মধ্যে সপ্তম মাসে পড়েছে। এই সংঘাতে জাহাজ চলাচলে হামলা আরও বাড়লে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের ওপরে উঠতে পারে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন গোল্ডম্যান স্যাকসের বৈশ্বিক পণ্যবাজার গবেষণার সহপ্রধান ড্যান স্ট্রুইভেন।

সিএনবিসির ‘স্কোয়াক বক্স এশিয়া’ অনুষ্ঠানে তেলের দাম ১২০ ডলারে পৌঁছাতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি অবশ্যই সম্ভব।

তবে গোল্ডম্যান স্যাকসের মূল পূর্বাভাস এখনো তুলনামূলকভাবে আশাবাদী। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, পারস্য উপসাগর থেকে তেল রপ্তানি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে।

উৎপাদকেরা বিকল্প নৌপথ ব্যবহার করে সরবরাহের বিঘ্ন সামাল দিতে পারেন। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত পাইপলাইন সক্ষমতাও রপ্তানি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।

তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনায় তেলের দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি বেড়েছে বলে মনে করছেন স্ট্রুইভেন। তার মতে, আগামী কয়েক মাসে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক না হওয়ার সম্ভাবনা এখন বেশি।

জাহাজে হামলার পরিধি ও তীব্রতা বাড়তে থাকলে পারস্য উপসাগর থেকে তেল সরবরাহ দীর্ঘ সময় ধরে কমে যেতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২০ ডলারের ওপরে চলে যাওয়ার আশঙ্কাও বাড়বে।

তেলের দাম বেড়ে গেলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে জ্বালানি, পরিবহন ও শিল্প খাতে। জ্বালানি ব্যয় বাড়লে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনের খরচও বাড়তে পারে।

এর ফলে বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

বিশ্ব অর্থনীতির জন্য তাই তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে ওঠা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026