1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকার-বিরোধী আলোচনা অব্যাহত: চিফ হুইপ সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও পুশ-ইন বন্ধে বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সিলযুক্ত ও পরীক্ষিত মাংস বিক্রি করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি শুরু যুদ্ধ চায় না ইরান, তবে আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত: পেজেশকিয়ান নতুন শুল্ক এড়াতে কানাডার কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে সদর দপ্তর স্থানান্তরের আহ্বান ট্রাম্পের অভিনয়কে পাপ বলে ধর্মচর্চায় কাটাতে চান পপি, জয় ও বাপ্পারাজের প্রশ্ন

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যুক্ত হওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জাতীয় নাগরিক পার্টি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ বার দেখা হয়েছে
রাজনীতি ডেস্ক
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্যাক্ট’-এ বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সরকারের আগ্রহকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে এই ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য বজায় রাখা এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে দলটি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ওমরাহ পালন শেষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
মক্কা প্যাক্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তিটিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার যে ইচ্ছা সরকার প্রকাশ করেছে, তাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটি যদি দেশের জন্য ফলপ্রসূ হয়, তবে তা দেশের অর্থনীতি ও কূটনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। চুক্তিটির সম্ভাব্য সুবিধা ও নেতিবাচক দিকগুলো চুলচেরা বিশ্লেשণের জন্য তাদের পক্ষ থেকে একটি গবেষণা বা মূল্যায়ন কাজ চলছে বলেও তিনি জানান। একই সাথে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিনটি দেশসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কূটনৈতিক অংশীদারদের সাথেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ শুরু থেকেই কোনো নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক বলয়ে আবদ্ধ না থেকে সকল দেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে আসছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো সামরিক বা বাণিজ্যিক চুক্তিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই স্বাধীন অবস্থান এবং সবার সাথে বন্ধুত্বের নীতি অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি।
অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও কৌশলগত অংশীদারদের সাথে প্রতিযোগিতায় সমতল ভূমি বা লেভেল প্লেইং ফিল্ড বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, সব ধরনের কূটনৈতিক উদ্বেগ ও শঙ্কা দূর করে যদি দেশের জন্য লাভজনক ও ফলপ্রসূ সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়, তবে তা দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্যাক্টটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে। এ ধরনের বহুপক্ষীয় জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ দেশের কৌশলগত অবস্থানে কী প্রভাব ফেলবে এবং ঐতিহ্যগত নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতিতে এর কোনো ব্যত্যয় ঘটে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে বিভিন্ন আলোচনা চলছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও ভারসাম্যের নীতি অনুসরণের ওপর নতুন করে গুরুত্ব আরোপ করেছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026