1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকার-বিরোধী আলোচনা অব্যাহত: চিফ হুইপ সীমান্তে চোরাচালান, মাদক ও পুশ-ইন বন্ধে বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সিলযুক্ত ও পরীক্ষিত মাংস বিক্রি করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ কর্মসূচি শুরু যুদ্ধ চায় না ইরান, তবে আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত: পেজেশকিয়ান নতুন শুল্ক এড়াতে কানাডার কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে সদর দপ্তর স্থানান্তরের আহ্বান ট্রাম্পের অভিনয়কে পাপ বলে ধর্মচর্চায় কাটাতে চান পপি, জয় ও বাপ্পারাজের প্রশ্ন

রেকর্ড সৃষ্টিকারী এল নিনো জলবায়ু পরিস্থিতি: ইকুয়েডরে জরুরি অবস্থা জারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অতিপ্রবল হতে পারে এমন ‘এল নিনো’ জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে ল্যাটিন আমেরিকার সর্বশেষ দেশ হিসেবে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা বা রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইকুয়েডর। দেশটির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সতর্কাবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার দেশটির রাজধানী কিটো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানানো হয়, চলতি বছরের এল নিনো ইতোমধ্যে মধ্য আমেরিকায় তীব্র খরা এবং ইন্দোনেক্ষিয়ায় দাবানলের প্রকোপ বাড়িয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই এল নিনো পরিস্থিতি তার সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাতে পারে, যার প্রভাবে আগামী ২০২৭ সালে বিশ্বে তাপমাত্রা আরও রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেতে পারে।
ইকুয়েডরের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারির ফলে জরুরি কমিটিগুলোকে অবিলম্বে সক্রিয় করা হয়েছে। এসব কমিটির মূল দায়িত্ব হবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা। বিশেষ করে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আমাজন অববাহিকায় তীব্র খরা ও দাবানল ছড়িয়ে পড়ার বড় ধরনের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ইতিমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী মৎস্য শিকার খাতও এল নিনোর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে।
এল নিনো হলো একটি স্বাভাবিক জলবায়ু প্রক্রিয়া, যার প্রভাবে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহের গতিপথ, বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক বিন্যাস সম্পূর্ণরূপে বদলে যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও বিচরণ এবং নির্দিষ্ট প্রজাতির পাখির পরিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
ইকুয়েডরের পাশাপাশি ল্যাটিন আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলোতেও এল নিনোর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পানামা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর এর আগেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এছাড়া ভৌগোলিক দিক থেকে ইকুয়েডরের দক্ষিণে অবস্থিত পেরুও তাদের এক-তৃতীয়াংশ শহরে একই কারণে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। পেরু সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, চরম তাপমাত্রা ও অনাবৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক আবহাওয়া গবেষকদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির এই ধারায় এল নিনোর মতো চরম আবহাওয়াগুলো আগামী দিনে আরও ঘনঘন এবং শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনজীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026