বাংলাদেশ ডেস্ক
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম, এনবিপি, এনপিপি, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, পিএইচডি সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি-এর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। ঢাকার সেনাসদরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সেনাসদরে আয়োজিত এই বৈঠকে উভয় বাহিনীর প্রধান পারস্পরিক কুশল বিনিময় করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নতুন নৌবাহিনী প্রধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর নতুন মেয়াদের সফল কর্মজীবন ও আন্তঃবাহিনী নেতৃত্বের সাফল্য কামনা করেন।
সেনাসদরে আগমনকালে নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় সেনাসদরের উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় ও পেশাগত সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখা দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শর্ত। সেনাসদরের এই আনুষ্ঠানিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরীণ পেশাগত যোগাযোগ ও দীর্ঘদিনের আন্তঃবাহিনী সহযোগিতার ধারাবাহিকতাকে নির্দেশ করে। নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর এই পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা আগামী দিনে দেশের সীমান্ত, সমুদ্রসীমা রক্ষা এবং যৌথ জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
নৌবাহিনীর নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যৌথ কার্যকারিতা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান ও যেকোনো জাতীয় সংকটে সেনাসদরের এই পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ও কার্যক্ষমতাকে আরও সুসংহত করবে।