1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাবেক আন্তর্জাতিক আম্পায়ার মোহাম্মদ আসগরের ইন্তেকাল: দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে শোকের ছায়া আগামী ৩ বছরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে মা ও শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ফ্যাশন ও আভিজাত্যে নতুন রূপে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডেসকোর ঝটিকা অভিযান: মিরপুর ও গুলশানে জরিমানা ও মালামাল জব্দ টাইগার পেসার নাহিদ রানার বোলিং গতিতে মুগ্ধ কিউই স্পিনার ইশ সোধি রাজধানীর হকারদের দ্রুত পুনর্বাসন ও যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা আড়াই হাজার টাকায় স্মার্টফোন সরবরাহের উদ্যোগ: লক্ষ্য ডিজিটাল বৈষম্য নিরসন শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ হারালো বাংলাদেশ নারী দল

ইউরোপীয় শ্রমবাজারে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর মহাপরিকল্পনা তথ্যমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও ঋণের বোঝা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে রেমিট্যান্স আয়ের পরিধি বাড়ানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বর্তমান সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে আগামী ২০২৬ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে ইউরোপীয় শ্রমবাজারে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথা জানান।

‘ইউরোপীয় শ্রমবাজারে ১০ লাখ দক্ষ জনশক্তি : মাস্টারপ্ল্যান (২০২৬-২০৩১) উপস্থাপন এবং প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয় অধিকার নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ইতালবাংলা সমন্বয় উন্নয়ন সমিতি এবং বাংলাদেশের প্রবাসী উন্নয়ন সমিতি। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বিশাল ঋণের বোঝা উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়ার পর বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাতগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের প্রধান দুটি উৎস হলো তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে প্রায় ৪০-৪২ বিলিয়ন ডলার এবং রেমিট্যান্স থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার আয় হয়। তবে আমদানিনির্ভর অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেবল এই দুটি খাতের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রবাসে কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ রপ্তানি বাজারকে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। একইসঙ্গে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন।

মন্ত্রী দেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে জানান, কুয়াকাটা বা কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো ও পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের একটি শক্তিশালী বিকল্প ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হবে। রেমিট্যান্সকে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক প্রকৌশলী মো. সালাহ উদ্দিন এবং উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলী মর্তুজা ইউরোপের বাজারে দক্ষ জনশক্তির প্রতিযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, ইউরোপীয় শ্রমবাজারে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা ও কারিগরি প্রশিক্ষণে উৎকর্ষ অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে কর্মস্থলে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা এবং উন্নত দক্ষতা নিশ্চিত করাই এখনকার প্রধান চ্যালেঞ্জ।

বিএনপির সর্ব ইউরোপিয়ান শাখার আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ ঝিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে ‘মাস্টারপ্ল্যান ২০২৬-২০৩১’ উপস্থাপন করেন ইতালবাংলা সমন্বয় ও উন্নয়ন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ মোহাম্মাদ তাইফুর রহমান ছোটন। সেমিনারে ইউরোপের বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টির বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত হবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026