1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

তরুণ উদ্ভাবকের তৈরি দেশীয় গো-কার্ট চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশীয় প্রযুক্তিতে ‘গো-কার্ট’ (এক আসনের বিশেষ রেসিং কার) তৈরি করে সাড়া ফেলা তরুণ উদ্ভাবক রিজওয়ান রশিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সরকারপ্রধান। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উক্ত যানটি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিজে চালিয়ে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিজওয়ান রশিদের তৈরি এই ক্ষুদ্রাকৃতি যানটির ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে নিজের উদ্ভাবিত যানটি নিয়ে কার্যালয়ে উপস্থিত হন রিজওয়ান। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গাড়িটির যান্ত্রিক কৌশল ও নির্মাণশৈলী সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং একপর্যায়ে নিজেই এর স্টিয়ারিং ধরে ড্রাইভ করেন।

উদ্ভাবক রিজওয়ান রশিদ জানান, সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টায় এবং দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে তিনি এই গো-কার্টটি তৈরি করেছেন। শনিবার এটি মোহাম্মদপুর থেকে সড়কপথে চালিয়েই তিনি তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তির কাছ থেকে সরাসরি উৎসাহ ও প্রশংসা পেয়ে তিনি অভিভূত। রিজওয়ান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়িটি চালিয়ে দেখবেন, এটি আমার কল্পনাতেও ছিল না। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আধুনিক প্রযুক্তির বড় কোনো যান তৈরিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

রিজওয়ানের পারিবারিক সূত্র জানায়, তার এই উদ্ভাবনী যাত্রার পেছনে তার বাবার বড় অবদান রয়েছে। তার বাবা একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যান্ত্রিক বিভাগে কর্মরত। ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার পর অবসর সময়কে সৃজনশীল কাজে লাগানোর তাগিদ থেকে এই গো-কার্ট তৈরির কাজ শুরু করেন তিনি। পরিবারের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও চার চাকার বাহনের প্রতি আগ্রহ এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার চ্যালেঞ্জ জয় করতে তিনি নিজেই গাড়িটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন।

পর্যবেক্ষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে বাংলাদেশের তরুণদের কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে নতুন নতুন উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হতে হবে। রিজওয়ান রশিদের মতো মেধাবী তরুণরা সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে যেভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে কাজ করছে, তা জাতীয় অগ্রগতির জন্য ইতিবাচক। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের যানের আরও আধুনিক এবং উন্নত সংস্করণ তৈরিতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত আগ্রহ দেশের অপেশাদার ও ব্যক্তিগত পর্যায়ের খুদে উদ্ভাবকদের জন্য একটি বড় বার্তা। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশীয় যন্ত্রকৌশল শিল্পে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্র যান তৈরির পথ প্রশস্ত হতে পারে। সরকারের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জাতীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026