1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নারায়ণগঞ্জে শিক্ষার ভিশন ও দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অগ্রগতি না হলেও যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে মালয়েশিয়ায় শ্রম ও উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিশেষ বিবেচনার অনুরোধ মুম্বাইয়ে ভারতীয় সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যু দারোয়ানি টেক্সটাইল মিল তিন মাসের মধ্যে চালুর উদ্যোগ, দরপত্র আহ্বান সম্পন্ন ভোজ্যতেলের দাম আপাতত অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের যোগাযোগ অবকাঠামো আধুনিকায়নে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা জোরদার নিয়ে আলোচনা চিফ হুইপের বক্তব্য: গণতন্ত্রে পারস্পরিক আস্থা ও সংসদীয় কার্যক্রমে সমন্বয়ের আহ্বান লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার পর ইরানের তেল খাত পুনরুদ্ধারে তৎপরতা, দুই মাসে ৮০ শতাংশ সক্ষমতা ফেরানোর লক্ষ্য

ফুলপুর থানায় সংসদ সদস্যের চেয়ারে বসার ঘটনা নিয়ে সমালোচনা ও আলোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

ময়মনসিংহের ফুলপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) না থাকায় তার চেয়ারে বসেন। এ ঘটনা ৫ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে ঘটে এবং সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ব্যাপক সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সকাল সোয়া ৭টায় ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে মাস্টার প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য থানার বাইরে ছিলেন। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ থানা পরিদর্শনে যান। ওসির অনুপস্থিতিতে তিনি প্রথমে অন্য চেয়ারে বসার চেষ্টা করেন, তবে তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে ওসির চেয়ারে বসার জন্য উৎসাহিত করেন। কিছুক্ষণ থানায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শেষে সংসদ সদস্য থানার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে দেখা যায়, সংসদ সদস্য ওসির চেয়ারে বসে রয়েছেন এবং পাশে থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা বসে আছেন। ভিডিওতে তিনি এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিচ্ছেন এমন দৃশ্যও ধরা পড়েছে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ জানান, “ওই দিন আমার মাস্টার প্যারেড ছিল। সংসদ সদস্যের আগমনের কোনো পূর্বসূচি ছিল না। থানা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে তাকে ওসি অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি জানানো হয়। তারপরও তিনি থানায় প্রবেশ করেন। প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা ইতস্তত করলেও কিছুক্ষণ বসে আলাপচারিতা শেষে চলে যান।”

সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জানান, তিনি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। ওসি অনুপস্থিত থাকায় তিনি কিছুক্ষণ বসেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “ওসির চেয়ারে বসাকে কোনো অপরাধ মনে করি না।”

ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে। একাংশ এটি নীতিগত ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচনা করেছে, অন্যরা এটিকে থানা পরিদর্শনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, থানায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংসদ সদস্যের কার্যক্রম ও সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও পদমর্যাদা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা তীব্র করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রশাসনিক রেকর্ড ও নিয়মাবলী স্পষ্টভাবে থাকা এবং তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহর চেয়ারে বসার বিষয়টি প্রশাসনিক ও সামাজিক পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই ঘটনার মাধ্যমে স্থানীয় থানা পরিচালনার নিয়মনীতি, সাংসদদের প্রশাসনিক পরিদর্শন প্রক্রিয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রভাব নিয়ে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সৃষ্টি হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026