1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় দেশের ৪৩ জেলায় ৩২০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নতুন মুখপাত্র নিযুক্ত জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সম্ভাবনা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ বিএনপি সংবিধান সংশোধন বিষয়ে দ্বিচারিতার অভিযোগ স্বতন্ত্র এমপির ভারত–পাকিস্তান উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উদ্বেগ গণভোটের ফলাফল ও রাষ্ট্র সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন আজ ইস্টার সানডে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মতবিনিময় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু, ২০২৬ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি, ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮টি জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। সম্প্রতি সংক্রমণ বেশি দেখা দেওয়া এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশে হামের সংক্রমণ কিছু এলাকায় বাড়লেও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নির্বাচিত এলাকাগুলোতে শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পূর্বে হামের টিকা গ্রহণকারী শিশুরাও এই বিশেষ কর্মসূচির অধীনে পুনরায় টিকা নিতে পারবে। একাধিকবার টিকা গ্রহণে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, হামের সংক্রমণ সাধারণত শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়মতো টিকা গ্রহণ না করলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এই রোগে জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। গুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে, যা শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বরগুনা জেলার বরগুনা পৌরসভা ও সদর উপজেলা, পাবনা জেলার পাবনা পৌরসভা ও সদর, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া, চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর পৌরসভা ও সদর এবং হাইমচর, কক্সবাজার জেলার মহেশখালী ও রামু, গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা ও সদর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট, নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া, ময়মনসিংহ জেলার ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, তারাকান্দা ও শ্রীনগর, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী, বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, নওগাঁ জেলার পোরশা, যশোর জেলার যশোর পৌরসভা ও সদর, নাটোর জেলার নাটোর সদর, মুন্সীগঞ্জ জেলার মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা ও সদর এবং লৌহজং, মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর পৌরসভা ও সদর, ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ, ঝালকাঠি জেলার নলছিটি এবং শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্বাচিত এলাকাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবং নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে সংক্রমণের বিস্তার দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সুরক্ষিত থাকে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে এই বিশেষ কর্মসূচির সুফল সর্বোচ্চ মাত্রায় নিশ্চিত করা যায়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026