1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১.৯২ লাখ টন এলএনজি আমদানি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করবে বিএনপি: মঈন খান কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ নিহত, শিশুসহ একজন আশঙ্কাজনক মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের ঘোষণা জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল: মির্জা ফখরুল রাজা চার্লস রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে স্বাধীনতা দিবসের অভিনন্দন জানালেন হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ বন্ধুজাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত মহান স্বাধীনতা দিবসে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ যুক্তরাষ্ট্রে শিশু কল্যাণে ফোকাস করে ডা. জুবাইদা রহমানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি

হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ বন্ধুজাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য হরমুজ প্রণালিতে স্বস্তির খবর এসেছে। ইরান ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশসহ কিছু ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশের জাহাজকে নিরাপদে প্রণালি পারাপারের অনুমতি দেওয়া হবে। এ সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানিয়েছেন, পশ্চিমা দেশের চাপের পরেও হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তিনি বলেন, “অনেক জাহাজ মালিক এবং দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিচ্ছি, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে।”

আরাগচি স্পষ্ট করেন, ইতোমধ্যেই চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের দুটি জাহাজ প্রণালি পার হয়েছে। “ভবিষ্যতেও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করবে, তাদের জন্য এটি চালু থাকবে। বাংলাদেশও এই সুবিধা পাবে,” তিনি উল্লেখ করেন। তবে যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ মনে করে বা চলমান সংঘাতে জড়িত, তাদের জাহাজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে না।

হরমুজ প্রণালিতে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এই প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ হয়। এর কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষত বিমান সংস্থা, শিল্প ও সুপারমার্কেট খাতে ব্যয় বৃদ্ধি, চাহিদা হ্রাস ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর তেহরান পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে, যার প্রভাবে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। শিপিং তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম লয়েডস লিস্ট জানাচ্ছে, সাধারণত দৈনিক প্রণালি দিয়ে প্রায় ১২০টি জাহাজ চলাচল করে। কিন্তু ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১৫৫টি জাহাজ পার হয়েছে, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় ৯৫ শতাংশ কম। এর মধ্যে ৯৯টি তেল ও গ্যাস বহনকারী জাহাজ ছিল, বেশিরভাগ পূর্বমুখী। ২৫ মার্চ শুধুমাত্র দুটি জাহাজ পশ্চিমমুখী প্রণালি অতিক্রম করেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশসহ বন্ধুজাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে আংশিক স্বস্তি আসবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের অপ্রত্যাশিত দামের ওঠানামা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও বৈশ্বিক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অঞ্চলের সংঘর্ষের কারণে সরবরাহের স্থায়ীত্ব এখনও অনিশ্চিত।

বাংলাদেশের জন্য এ উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দেশের বৃহৎ পরিমাণ তেল ও এলএনজি আমদানি এ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হলে দেশীয় জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা কমতে পারে এবং জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল কিছুটা স্থিতিশীল হবে।

অর্থাৎ, হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ বন্ধুজাহাজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় জ্বালানি সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে অঞ্চলীয় সংঘাত বা নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026