1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

নদী ও খাল পুনরুদ্ধারে ২০ হাজার কিলোমিটার খনন কর্মসূচি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশের নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার একটি বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নদী ও খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সোমবার (১৬ মার্চ) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকায় রাজখাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলা, দখল ও পলি জমার কারণে দেশের বহু নদী ও খাল নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে অনেক এলাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং কৃষি ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পরিকল্পিতভাবে নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে নদী ও খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জলসম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের অনেক নদী ও খাল বর্তমানে মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এসব জলাধার পুনরুদ্ধার করা গেলে প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। নদী ও খাল খননের ফলে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে, যা বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি খাল ও নদীর নাব্যতা ফিরে আসলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী নৌপথ ব্যবহার করে যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনেও সুবিধা পাবে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন খালের বর্তমান অবস্থার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জেলার যেসব খাল ভরাট হয়ে গেছে বা মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে। এতে এলাকার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং স্থানীয় মৎস্য উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, রাজখাল খনন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যার কিছুটা সমাধান হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল, ফলে বর্ষা মৌসুমে আশপাশের কৃষিজমিতে পানি জমে থাকত। খনন কার্যক্রম শেষ হলে খালের পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হবে এবং কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে।

বাংলাদেশে নদী ও খালভিত্তিক জলব্যবস্থাপনা ঐতিহাসিকভাবে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাল ও নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় অনেক এলাকায় পানি সংকট, জলাবদ্ধতা এবং মৎস্যসম্পদের ক্ষতি দেখা দেয়। এ কারণে নিয়মিত খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমকে টেকসই জলব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রাজখাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026