1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঈদের আগে ও পরে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ, বাস যাত্রা নিরাপদ করতে ডিএমপি পদক্ষেপ গোবিন্দগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্রমিক গ্রেপ্তার নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ঢাকায় ৪৭৫টি ফ্লাইট বাতিল বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে সমর্থন বৃদ্ধি করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কে সফর জায়েদ খানের টক শোতে সামিরা মাহির প্রথম একসঙ্গে পারফরম্যান্স শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগেই পরিশোধের নির্দেশ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ঘরমুখো মানুষের যাত্রার জন্য ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু মির্জা আব্বাসের জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন মির্জা ফখরুল মির্জা আব্বাসের কিছু হলে ৮০ শতাংশ দায়ী থাকবেন পাটওয়ারী: মেঘনা আলম

শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগেই পরিশোধের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা: দেশের সকল শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস অবশ্যই ঈদের আগেই পরিশোধ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকার বেইলি রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের সভায় মন্ত্রী এ আশ্বাস দেন। সভায় আরএমজি ও নন-আরএমজি সেক্টরে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

শ্রমমন্ত্রী সভায় বলেন, কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের প্রাপ্য পাওনা পরিশোধে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হবে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের প্রদান করা হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বকেয়া বেতন ও বোনাস দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরও ঋণ প্রদানে গড়িমসি করছে এমন ব্যাংকসমূহ—যেমন ইউসিবিএল, ট্রাস্ট ও প্রিমিয়ার ব্যাংক—সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। তিনি জানান, যেসব শ্রমিক নেতা শ্রমিকদের উত্তেজিত করে শিল্প খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। এছাড়া পলাতক মালিক এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে এবং এসব কারখানায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন বলেন, সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বন্ধ থাকা কারখানাগুলো চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধান করতে।

বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে মোট ২,১২৭টি কারখানার মধ্যে ১,৯৬৪টি (৯২.৩৪%) কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে এবং ১,৫৩৫টি (৭২.১৭%) কারখানা ঈদের বোনাস প্রদান করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়, তবে যেসব কারখানা সামর্থ্য রাখে তারা এটি দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ না হওয়ায় কিছু শ্রমিক অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, দেশের ৮৩৪টি কারখানার মধ্যে ৫১২টি ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিয়েছে এবং ৬০৪টি কারখানা ঈদের বোনাস প্রদান করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যেহেতু অধিকাংশ কারখানা বেতন ও বোনাস পরিশোধ করেছে, কোনো ধরনের শ্রমিক অসন্তোষের সৃষ্টি হবে না।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, আপদকালীন ফান্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সংক্রান্ত সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং গাজীপুর-১ থেকে -৫ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যবৃন্দ—মো. মজিবুর রহমান, এম মনজুরুল করিম রনি, এস এম রফিকুল ইসলাম এবং ফজলুল হক মিলন—সহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সভায় শ্রমিকদের প্রাপ্য বেতন ও বোনাসের পরিশোধ দ্রুত নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হয়।

সম্মেলনে দেশের শিল্প খাতে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়মিত মনিটরিং ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026