1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

জাতীয় সংসদ ভবনে আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে দেশের আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। অধিবেশনের প্রথম দিনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, বিভিন্ন সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনী ভাষণসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিষয় আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, রীতি অনুযায়ী পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। যেহেতু এখনো স্পিকার নির্বাচিত হয়নি, তাই সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যকে সভাপতিত্বে বসিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পরবর্তীতে সংসদ সদস্যদের ভোটে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন স্পিকারই অধিবেশনের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

প্রথম দিনের কার্যসূচিতে মোট সাতটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ছাড়াও সংসদীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়ন, প্রয়াত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গ্রহণ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশও সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের (২) ধারা অনুযায়ী আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদের সামনে উপস্থাপন করবেন। সংসদ সদস্যরা এসব অধ্যাদেশ অনুমোদন, সংশোধন অথবা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কিছু অধ্যাদেশ বিদ্যমান অবস্থায় অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী সংসদে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন। সংসদের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদারকির জন্য স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে, যা সংসদীয় ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অধিবেশনের শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রদান একটি সাংবিধানিক প্রথা। রাষ্ট্রপতির ভাষণে সরকারের নীতিমালা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুসমূহ তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা করবেন, যা সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন প্রায় এক মাস চলতে পারে। এ সময় আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণী আলোচনা এবং বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সংসদে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিভিন্ন আলোচনা চলছে। বিরোধী দলের নেতারা সংসদীয় কার্যক্রমে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের কথা জানিয়েছেন। বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপিত হলে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও সংসদে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তারা সংসদীয় কার্যক্রমে গঠনমূলক অবস্থান নেবেন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমালোচনা করা হবে, আবার জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে যৌক্তিক সমর্থনও দেওয়া হবে।

নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়তা বাড়বে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। সংসদের নিয়মিত অধিবেশন, আইন প্রণয়ন কার্যক্রম এবং সংসদীয় বিতর্ক দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026