1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিসিবি নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে অভিযোগ জমা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে সচিবকে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান বুবলী এবার কণ্ঠ শিল্পী হিসেবে হাজির ইত্যাদিতে ইরান-ইসরাইল সংঘর্ষে নিহত দুবাই প্রবাসীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে ইরান–ইসরাইল উত্তেজনা: নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইরান হামলা চালালো ইরান এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে তিন দফা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ চট্টগ্রাম বন্দরে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের ১৫টি জাহাজ পৌঁছানো শুরু রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার: পাঁচ দেশে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের ঢাকায় ফেরানো রিহানার বেভারলি হিলসের বাড়িতে গুলিবর্ষণ, নারী আটক ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক বিতরণ শুরু কাল, প্রথম ধাপ রাজধানীর কড়াইলে

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

সরকার নির্বাচন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০,০০০ টাকা ভাতা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ইমাম ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩,০০০ টাকা এবং খাদেম ২,০০০ টাকা পাবেন। মসজিদের বাইরে অন্যান্য ধর্মের জন্যও ভাতা দেওয়া হবে।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮,০০০ টাকা। এর মধ্যে পুরোহিত ৫,০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা পাবেন। বৌদ্ধ বিহারের জন্যও একইভাবে ৮,০০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫,০০০ টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা পাবেন।

খ্রিস্টান চার্চের জন্যও প্রতি চার্চে ৮,০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রধান পালক/যাজক ৫,০০০ টাকা এবং সহকারী পালক/যাজক ৩,০০০ টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, এই ভাতা প্রকল্পের লক্ষ্য হলো দেশের ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা করা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরকারি ভাতা ব্যবস্থা ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং সম্পূর্ণ ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে নিরীক্ষণ ও মানদণ্ড স্থাপন করা প্রয়োজন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এবং নিয়মিত ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভাতা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026