1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

সরকার নির্বাচন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০,০০০ টাকা ভাতা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ইমাম ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩,০০০ টাকা এবং খাদেম ২,০০০ টাকা পাবেন। মসজিদের বাইরে অন্যান্য ধর্মের জন্যও ভাতা দেওয়া হবে।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮,০০০ টাকা। এর মধ্যে পুরোহিত ৫,০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা পাবেন। বৌদ্ধ বিহারের জন্যও একইভাবে ৮,০০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫,০০০ টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা পাবেন।

খ্রিস্টান চার্চের জন্যও প্রতি চার্চে ৮,০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রধান পালক/যাজক ৫,০০০ টাকা এবং সহকারী পালক/যাজক ৩,০০০ টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, এই ভাতা প্রকল্পের লক্ষ্য হলো দেশের ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা করা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরকারি ভাতা ব্যবস্থা ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং সম্পূর্ণ ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে নিরীক্ষণ ও মানদণ্ড স্থাপন করা প্রয়োজন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এবং নিয়মিত ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভাতা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026