1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী মাদকের সাথে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর উপকূলীয় সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতিতে ব্লু কার্বন অর্থায়ন জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা: চুয়েটের ওরিয়েন্টেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

সরকার নির্বাচন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য নিয়মিত সম্মানী ভাতা প্রদান করবে। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০,০০০ টাকা ভাতা বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ইমাম ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন ৩,০০০ টাকা এবং খাদেম ২,০০০ টাকা পাবেন। মসজিদের বাইরে অন্যান্য ধর্মের জন্যও ভাতা দেওয়া হবে।

প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮,০০০ টাকা। এর মধ্যে পুরোহিত ৫,০০০ টাকা এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা পাবেন। বৌদ্ধ বিহারের জন্যও একইভাবে ৮,০০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫,০০০ টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা পাবেন।

খ্রিস্টান চার্চের জন্যও প্রতি চার্চে ৮,০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রধান পালক/যাজক ৫,০০০ টাকা এবং সহকারী পালক/যাজক ৩,০০০ টাকা পাবেন।

উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, এই ভাতা প্রকল্পের লক্ষ্য হলো দেশের ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা করা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করা। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরকারি ভাতা ব্যবস্থা ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং সম্পূর্ণ ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে নিরীক্ষণ ও মানদণ্ড স্থাপন করা প্রয়োজন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাতা প্রদান প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এবং নিয়মিত ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভাতা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026