প্রবাস ডেস্ক
ইরান ও ইসরাইলের চলমান সংঘর্ষে নিহত দুই প্রবাসীর মধ্যে একজন, আহম্মেদ আলীর মরদেহ সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। নিহত আহম্মেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে কর্মরত ছিলেন।
আহম্মেদ আলীর জন্ম মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। মরদেহ পৌঁছানোর পর স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবারবর্গ যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইরান-ইসরাইল অঞ্চলে অবস্থানরত কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সাহায্য প্রদানের বিষয়টি বর্তমানে সরকার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নজরে রয়েছে। নিহত আহম্মেদ আলীর পরিবারের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।
মৌলভীবাজারের স্থানীয় সমাজ ও প্রশাসন মৃত প্রবাসীর প্রতি শোক প্রকাশ করেছে। মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শোক অনুষ্ঠান ও জানাজা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা এবং তাদের দেশে প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত বিষয়টি দেশের প্রবাসী কল্যাণ দফতরও মনিটর করছে।
আহম্মেদ আলীর মৃত্যু ইরান-ইসরাইল সংঘর্ষের কারণে সৃষ্ট প্রবাসী নিহতের তালিকায় নতুন এক দুঃখজনক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
সংঘর্ষপূর্ণ অঞ্চলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন এবং তাদের স্বজনদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করা দেশটির কূটনৈতিক মিশনের প্রাথমিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।