1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা ইরান যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, চায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ইরানের হামলা সক্ষমতা থাকলেও অস্তিত্বগত হুমকি নয়: নেতানিয়াহু রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্তে আজ থেকে ডিএমপির অভিযান শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে পুতিন–বিন জায়েদের ফোনালাপ, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর

ফেনীতে পরিবেশ উন্নয়নে জোর, লুটপাট পুনরাবৃত্তি হবে না : মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

ফেনীতে রোববার (৮ মার্চ) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন, পরিবেশ খাতে পূর্বে যেসব লুটপাট হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আর হবে না এবং এর দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী হওয়ার পর এ তাঁর নিজ জেলা ফেনী ও সংসদীয় আসনে প্রথম সরকারি সফর।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের বায়ু দূষণের মাত্রা বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তিনি জানিয়ে দেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যে কোনো প্রকার পরিবেশ উন্নয়ন কার্যক্রম প্রাধান্য পাবে। পূর্বের কর্মকাণ্ডকে দায়ী করার চেয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য দূষণ কমানোই জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, মাটি পোড়ানো ইটের কারখানা থেকে পরিবেশবান্ধব ইটে রূপান্তর এক-দুই বছরের মধ্যে সম্ভব নয়। এটি একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া হলেও, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরিবেশ সংরক্ষণে লক্ষ্য অর্জন করা যাবে না। তিনি পরিবেশবান্ধব ইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার উপর জোর দেন।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, “আগের কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। দূষণ কমানো আমাদের জাতিগত দায়িত্ব।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগ নেবে এবং প্রাথমিকভাবে দূষণ কমানো ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি প্রয়োগে কাজ শুরু হবে।

এ সময় ফেনী জেলা প্রশাসক মুনিরা হক, পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. নবী নেওয়াজ, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোবাশ্বের হোসেন মো. রাজিব এবং ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক উপস্থিত ছিলেন।

ফেনী অঞ্চলে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ইতিমধ্যে কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ইটের কারখানার পরিদর্শন, পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন বাড়ানো, এবং শিল্প এলাকা থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে স্থায়ী সাফল্য অর্জন করা কঠিন।

মন্ত্রী ফেনীর সরকারি সফরের মাধ্যমে এলাকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ কমানোর কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারি তদারকি এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে।

ফেনী অঞ্চলের জন্য পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন সম্প্রসারণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের এই পদক্ষেপগুলো স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিল্প ও নাগরিক সচেতনতা মিলিতভাবে কার্যকর হলে, ফেনীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পরিবেশগত উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026