1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা ইরান যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, চায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ইরানের হামলা সক্ষমতা থাকলেও অস্তিত্বগত হুমকি নয়: নেতানিয়াহু রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্তে আজ থেকে ডিএমপির অভিযান শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে পুতিন–বিন জায়েদের ফোনালাপ, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর

প্রাইমারি হেলথকেয়ার জোরদারে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও সর্বজনীন করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কর্মীদের মধ্যে অধিকাংশই নারী হবেন, যাতে পরিবারভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়।

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা। এজন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে এসব কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো ও প্রক্রিয়া তৈরির কাজ চলছে। ই-হেলথ কার্ড চালু হলে একজন নাগরিকের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে, যার মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে দ্রুত তথ্যপ্রাপ্তি ও সেবা প্রদান সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তিনি বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শুধু নতুন কর্মী নিয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও জরুরি। স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি না থাকলে সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এর জন্য প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিভিন্ন সময়ে রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়। বিশেষ করে দালালচক্রের তৎপরতা এবং কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন। এসব সমস্যার সমাধানে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য খাতের নীতি নির্ধারক, গবেষক, উন্নয়নকর্মী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে। একই সঙ্গে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026