1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত তাইওয়ানকে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, বেইজিং বৈঠকে সতর্কবার্তা শি জিনপিংয়ের সৌদি আরবে ৫৮ হাজার হজযাত্রীর আগমন, ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টায় প্রক্টরিয়াল টিমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও কার্যালয়ে তালা যুদ্ধ বিস্তারে বেলারুশকে সম্পৃক্ত করছে রাশিয়া: জেলেনস্কির দাবি

দেশে মাত্র ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

আবহাওয়া ডেস্ক

গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩.৭। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের সিকিমে এবং ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৭.২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৮.২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভূ-গঠন ও প্লেট টেকটোনিক ক্রিয়াকলাপের অংশ। সিকিম ও তার আশেপাশের এলাকাগুলো ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। যদিও এই কম্পনের তীব্রতা মৃদু ছিল, তবুও স্থানীয় মানুষরা অস্থায়ী আতঙ্ক অনুভব করেছেন।

এর আগে, মাত্র একদিন আগে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ইএমএসসি তথ্য অনুযায়ী, সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.১ রিখটার এবং এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের অভ্যন্তরে। ওই ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং স্কুল-কলেজগুলোতে অস্থায়ীভাবে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিকিম ও মিয়ানমারের মধ্যে অবস্থিত এই অঞ্চলগুলো ভারতের অন্তর্গত হিমালয় শৃঙ্গমালা ও অরাকান পাহাড়ের প্লেট সংযোগ এলাকার অংশ। ফলে এই এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন নিয়মিতভাবে অনুভূত হয়। বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, বাংলাদেশে এই ধরনের কম্পন সাধারণত মৃদু হলেও, ভবিষ্যতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সম্ভাবনা লক্ষ্য রাখতে হবে।

দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে এবং জনগণকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করতে বারবার পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়া, ভারী আসবাবপত্র থেকে দূরে থাকা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী প্রস্তুত রাখা।

বাংলাদেশের রাজধানীসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পের সংবেদনশীল এলাকায় পড়ে, কারণ সিকিম ও মিয়ানমারের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর প্রভাব স্থানীয় ভূ-সিস্টেমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, সাম্প্রতিক কম্পনের ধারাবাহিকতা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি কমানো যায়।

এ ধরনের ভূমিকম্প সাধারণত ক্ষয়ক্ষতির সুযোগ কম রাখলেও, নাগরিকদের সচেতনতা ও প্রস্তুতি অপরিহার্য। স্থানীয় প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো নিয়মিতভাবে ভূমিকম্প সংক্রান্ত সতর্কতা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026