রাজনীতি ডেস্ক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে (CCU) ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেগম সেলিমা রহমান হঠাৎ হৃদরোগের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, তার শারীরিক অবস্থার প্রতি নজর রাখা হচ্ছে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যত্ন প্রদান করা হচ্ছে।
বেগম সেলিমা রহমান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দলের নীতি নির্ধারণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। অতীতের মন্ত্রী হিসেবে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার অবদান লক্ষ্যণীয়।
হৃদরোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক অবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়। এ ধরনের সময়ে পরিবারের এবং সহকর্মীদের সমর্থনও রোগীর সুস্থতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বেগম সেলিমা রহমানের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের সিনিয়র নেতাদের সুস্থতা দলের কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, তারা তার সুস্থতার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং দলের সদস্য ও সমর্থকদের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, হৃদরোগ আক্রান্তদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সুস্থতার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা আরও উল্লেখ করেছেন যে, রাজনৈতিক নেতাদের মতো সক্রিয় ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের কর্মব্যস্ত জীবন ও মানসিক চাপ শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।