1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

আশুগঞ্জ আতঙ্ক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ♦ গলার কাঁটা ১২ কিমি রাস্তা, গাড়ি আটকে থাকছে ৫-১০ ঘণ্টা ♦ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কের নির্মাণকাজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৭ বার দেখা হয়েছে

আশুগঞ্জ আতঙ্ক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোড পর্যন্ত ১২ দশমিক ২১ কিলোমিটার রাস্তাতেই থমকে যাচ্ছে সব যানবাহন। আসা-যাওয়ার পথে এই ১২ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে লেগে যাচ্ছে ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা। যানজটের ভয়ংকর থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও। অবর্ণনীয় দুর্দশায় পড়ছেন সিলেট বিভাগের সব জেলাসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী যাত্রীরাও। সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকার অনুমোদিত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নকশা জানার পরও আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়ক প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের রহস্যময় ভূমিকার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এই দুর্ভোগ।

জানা গেছে, ২০২০ সালে অনুমোদন পাওয়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নকশায় ছিল চার লেন এবং এসএমবিসি ৫.৫ ফুট। তবে আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কে ৫০ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার সড়কের নকশায় ছিল চার লেন এবং ৩.৬ ফুট এসএমবিসি। এরপরও আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কের নির্মাণের সঙ্গে জড়িতরা তাদের প্যাকেজ-১ এর (আশুগঞ্জ-বিশ্বরোড) রাস্তা নির্মাণে কোনো পরিবর্তন আনেননি। এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে টানা পাঁচ বছর। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পাঁচ হাজার ৭৯১ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের জুন মাসে। এ প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের খরচ ছিল প্রায় ১১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মাত্র ৫৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত বছর আগস্টে সরকার পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এফকন’-এর ভারতীয় কর্মীরা নিরাপত্তাজনিত কারণে দেশে ফিরে যান। তবে নভেম্বরে তারা কাজে ফিরলেও কাজ ছিল কচ্ছপ গতির। এর মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করতে আরও দুই বছরের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026