1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা ইরান যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, চায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ইরানের হামলা সক্ষমতা থাকলেও অস্তিত্বগত হুমকি নয়: নেতানিয়াহু রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্তে আজ থেকে ডিএমপির অভিযান শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে পুতিন–বিন জায়েদের ফোনালাপ, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর

আশুগঞ্জ আতঙ্ক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ♦ গলার কাঁটা ১২ কিমি রাস্তা, গাড়ি আটকে থাকছে ৫-১০ ঘণ্টা ♦ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কের নির্মাণকাজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

আশুগঞ্জ আতঙ্ক ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোড পর্যন্ত ১২ দশমিক ২১ কিলোমিটার রাস্তাতেই থমকে যাচ্ছে সব যানবাহন। আসা-যাওয়ার পথে এই ১২ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে লেগে যাচ্ছে ৫ থেকে ১০ ঘণ্টা। যানজটের ভয়ংকর থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছে না অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও। অবর্ণনীয় দুর্দশায় পড়ছেন সিলেট বিভাগের সব জেলাসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়াগামী যাত্রীরাও। সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকার অনুমোদিত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নকশা জানার পরও আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়ক প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের রহস্যময় ভূমিকার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এই দুর্ভোগ।

জানা গেছে, ২০২০ সালে অনুমোদন পাওয়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নকশায় ছিল চার লেন এবং এসএমবিসি ৫.৫ ফুট। তবে আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কে ৫০ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার সড়কের নকশায় ছিল চার লেন এবং ৩.৬ ফুট এসএমবিসি। এরপরও আশুগঞ্জ-আখাউড়া সড়কের নির্মাণের সঙ্গে জড়িতরা তাদের প্যাকেজ-১ এর (আশুগঞ্জ-বিশ্বরোড) রাস্তা নির্মাণে কোনো পরিবর্তন আনেননি। এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে টানা পাঁচ বছর। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পাঁচ হাজার ৭৯১ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের জুন মাসে। এ প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের খরচ ছিল প্রায় ১১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। তবে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের মাত্র ৫৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত বছর আগস্টে সরকার পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এফকন’-এর ভারতীয় কর্মীরা নিরাপত্তাজনিত কারণে দেশে ফিরে যান। তবে নভেম্বরে তারা কাজে ফিরলেও কাজ ছিল কচ্ছপ গতির। এর মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করতে আরও দুই বছরের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026