1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৮০ মাদক নির্মূলে রাষ্ট্রীয় কঠোর পদক্ষেপ ও সামাজিক সচেতনতার আহ্বান আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড সোবার্স আর নেই গার্মেন্টস খাতের ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ: ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগান বাস্তবায়নে জোর ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগে নতুন রাজনীতির ধারার সূচনা চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে বিনামূল্যে বীজ ও টিকার উদ্যোগ চীনের সাংহাইয়ে শুরু হলো বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন ২০২৬

শিশুর শরীরে সিসার বিষ ♦ সাড়ে ৩ কোটির বেশি শিশুর দেহে উপস্থিতি ♦ সিসাদূষণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ চতুর্থ ♦ খেলনায় উচ্চমাত্রায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ বার দেখা হয়েছে

সিসাদূষণে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে চতুর্থ। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, সম্প্রতি দেশের সাড়ে ৩ কোটির বেশি শিশুর রক্তে বিপজ্জনক মাত্রার ক্ষতিকর সিসা উপস্থিত থাকার তথ্য দিয়েছে ইউনিসেফ।

সম্প্রতি প্রকাশিত আরেক গবেষণায় শিশুদের খেলনা ও ব্যবহার্য দৈনন্দিন পণ্যেও উচ্চমাত্রার সিসার উপস্থিতি মিলেছে। আর এসব খেলনার সংস্পর্শে এসে কোমলমতিদের শরীরে ঢুকছে বিষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসাদূষণ একটি জরুরি পরিবেশগত স্বাস্থ্যসংকট। এর ফলে শিশুর স্নায়বিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ঝুঁকি তৈরি হয়। একই সঙ্গে শিশুদের চঞ্চলতা বৃদ্ধি পায়, খাবারে রুচি কমে যায় এবং শারীরিক বৈকল্য দেখা দেয়। তাদের মতে, বিশ্বজুড়ে শিশুদের খেলনা কীভাবে এবং কোন ধরনের পণ্য দিয়ে তৈরি হবে তার জন্য একটি কর্তৃপক্ষ থাকলেও বাংলাদেশে এখনো এমন কিছু নেই। বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে পরিবেশে ভারী ধাতুর দূষণ বেড়েছে। এর মধ্যে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে সিসার দূষণ। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশে সিসার মাত্রার সীমা নির্ধারণ করা থাকলেও বাংলাদেশে এ-সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা নেই। সাধারণত শিশুদের বাতাস, পানি, মাটি, খাবার, খেলনা, রং ও রান্নার সামগ্রীর মাধ্যমে সিসার মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারী ধাতুর মধ্যে সিসা প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের ওপর বেশি গুরুতর প্রভাব ফেলে। আর এই ক্ষতি চিরস্থায়ী ও অপরিবর্তনীয়। এর প্রভাবে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের সময়সীমা কমে যায় এবং প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আবু সাঈদ শিমুল গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, শিশুদের রক্তে সিসার উপস্থিতি তাদের মানসিক সমস্যা তৈরি করে। চঞ্চলতা বৃদ্ধি পায়। রুচি কমে যায়, শারীরিক বৈকল্য দেখা দেয়। বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026