1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৮০ মাদক নির্মূলে রাষ্ট্রীয় কঠোর পদক্ষেপ ও সামাজিক সচেতনতার আহ্বান আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড সোবার্স আর নেই গার্মেন্টস খাতের ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ: ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগান বাস্তবায়নে জোর ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগে নতুন রাজনীতির ধারার সূচনা চট্টগ্রামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে বিনামূল্যে বীজ ও টিকার উদ্যোগ চীনের সাংহাইয়ে শুরু হলো বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন ২০২৬

আইসিইউ ব্যবসা রমরমা ♦ ভিটেমাটি বিক্রি করে বিল মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব অনেক পরিবার ♦ সাধারণ রোগীকে আইসিইউতে নিয়ে লাইফ সাপোর্টের নাটকে অর্থ আদায় ♦ সরকারি হাসপাতালে একটিতে সিরিয়ালে ৭০-৮০ রোগী, সুযোগ নেয় বেসরকারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪
  • ২৪৫ বার দেখা হয়েছে

দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা। ভিটেমাটি বিক্রি করে আইসিইউর বিল মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছেন রোগীর স্বজনরা। সাধারণ রোগীকে আইসিইউতে নিয়ে বিল তোলা, লাইফ সাপোর্টে রেখে দিনের পর দিন বিল বাড়ানোর অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় স্বজনদের মুখে। সরকারি হাসপাতালের একটি আইসিইউ শয্যার জন্য সংকটাপন্ন ৭০-৮০ জন রোগী সিরিয়ালে থাকেন। ফলে জীবন বাঁচাতে স্বজনদের  ছুটতে হয় বেসরকারি হাসপাতালে। ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে গত ১ জুন রাজধানীর পল্লবীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা নাদিয়া নূর (৩০)। ভর্তির পাঁচ দিন পরই মারা যান চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এই রোগী। চিকিৎসায় অবহেলা আর রোগী নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ করে নাদিয়ার স্বামী আনিসুর রহমান পলাশ বলেন, ভর্তির পর সারা দিনে তার ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং রাতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে দেখা যায় পেটে ১৬ সপ্তাহের সন্তানও সুস্থ আছে। কিন্তু পর দিনই নাদিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। আইসিইউতে নেওয়া হয়। এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রোগীকে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার। আইসিইউর দায়িত্বরতদের এ সিদ্ধান্ত জানালে তারা পোশাক বদলের কথা বলে এ রোগীকে দুই ঘণ্টা কোনো ধরনের স্যালাইন, অক্সিজেন ছাড়াই ফেলে রাখে। এতে ওর অবস্থা খারাপ হলে অন্য হাসপাতালে নিতে পারিনি। এরপর পেটে বাচ্চাটা মারা যায়, নাদিয়া লাইফ সাপোর্টে চলে যান।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026