1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা অনন্য: দক্ষিণ কোরিয়ায় নাগরিক সংবর্ধনায় আসিফ মাহমুদ সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাথে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহীতে শ্রমিক অসন্তোষ: ফেডারেশন ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জামায়াত জোট ত্যাগ করার জন্য শরিক চার দলকে হেফাজতে ইসলামের চাপ অধ্যাদেশ বাতিল করে মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধে নতুন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অসাধু দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর: কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের নির্দেশ ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন, নিজস্ব অর্থায়ন ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি নেতানিয়াহুর দুর্নীতির মামলার শুনানি আবারও স্থগিত ঈদযাত্রায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজিতে সরকারি দলের নেতাকর্মীরা জড়িত: প্রাক-বাজেট সংলাপে সংসদ সদস্য মিলন

যেভাবে কম্পিউটারের মনিটর ও কি-বোর্ড এলো

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৫৮ বার দেখা হয়েছে

এক সময় কম্পিউটার ছিল শুধুই একটা ধাতব বাক্সের মতো। না ছিল মনিটর, না ছিল কি-বোর্ড কিংবা মাউস। তখনকার কম্পিউটার ছিল অনেকটা ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দার। সেই কম্পিউটারে কী বোর্ড আর মনিটার যোগ করেন অ্যাপলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওয়াজনিয়াক, যিনি স্টিভ জবসের ঘনিষ্ট বন্ধু।

 

২৯ জুন ১৯৭৫। ওজনিয়াকের বাড়িতে ডাক পড়ে স্টিভের। সেখানে গিয়ে তো স্টিভের চোখ ছানাবড়া! কী তৈরি করেছেন তাঁর বন্ধু! ঘর ভর্তি ছড়ানো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, শোল্ডারিং আয়রন, একটা খোলা টেলিভিশন মনিটর আর একটা টাইপ রাইটার।
ওজনিয়াক স্টিভকে বলেন কাগজহীন টাইপরাইটারে একটা কিছু টাইপ করতে।

স্টিভ টাইপ করলেন আর অবাক হয়ে দেখলেন তিনি যা টাইপ করছেন সেগুলো টেলিভিশন মনিটারে লেখা হয়ে ভাসছে। কম্পিটার প্রযুক্তিতে সে এক মাহেন্দ্রক্ষণ! এখন এই যুগে এসে আমরা কেউ কীবোর্ড আর মনিটর ছাড়া কম্পিউটার কল্পনা করতে পারি না। এই কীবোর্ড-মনিটরের জন্ম হয়েছিল সেদিন ওজনিয়াকের ঘরে। ওজনিয়াক বলেছেন, সেটা ছিল পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য ইউরেকা মোমেন্ট।

ওজনিয়াক কম্পিউটারের সঙ্গে সেদিন সত্যিকারের টিভির মনিটার জুড়ে দিয়েছিলেন। আর কি-বোর্ড হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন বাজারে প্রচলিত টাইপরাইটার। ওজনিয়াকের এই বুদ্ধিই কম্পিউটার প্রযুক্তি সম্পূর্ণ বদলে দেয়।
নতুন এই কম্পিউটার তৈরির পর স্টিভ জবস তাঁর বাবার গ্যারেজে কিছুটা জায়গা চেয়ে নেন। সেখানে বসানো হয় কম্পিউটার তৈরির সরঞ্জাম।

শুরু হয় কম্পিউটর তৈরি, যেটা সদ্য বানিয়েছেন ওজনিয়াক। ওজনিয়াকের সেই কম্পিউটারের যন্ত্রপাতিগুলো ছিলো ছড়ানো-ছিটানে। দুই বন্ধু সেগুলোকে একটা একটা বাক্সে আবদ্ধ করার চেষ্টা করেন। কারণ স্টিভের ব্যাবসায়ী-বুদ্ধি চাগিয়ে উঠেছে তখন। বন্ধুর তৈরি কম্পিউটারটিকেও তিনি বিক্রি করতে চান। তাঁরা সেই কম্পিউটারের নাম দেন অ্যাপল।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026