1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

৪০ নারীর এক স্বামী!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ৩০২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের বিহার রাজ্যে ৪০ নারীর এক স্বামী। কি চমকে উঠলেন! চমকালেও ঘটনা সত্য। ওই ৪০ নারী তাদের স্বামীর নাম রূপচাঁদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ৭ই জানুয়ারি থেকে সেখানে শুরু হয়েছে জাতিশুমারি। সেই শুমারিতে বিহারের আরওয়াল ডিস্ট্রিক্টের ওই নারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাদের স্বামীর নাম কি।

জবাবে তারা সবাই বলেছেন- রূপচাঁদ। এ নিয়ে আশপাশে, এমনকি এখন ইন্টারনেট যুগে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই খবর। চলছে হাসি-তামাশা। বলাবলি হচ্ছে, একজন পুরুষের কয়জন স্ত্রী থাকা সম্ভব? ৫ জন, দশজন, পনেরজন? কিন্তু একই ব্যক্তির ৪০ জন স্ত্রী থাকার কথা সম্ভবত এর আগে কখনো শোনা যায়নি। এ খবর দিয়ে অনলাইন ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ওইসব নারীর বসবাস আরওয়াল ডিস্ট্রিক্টের নিষিদ্ধপল্লীতে।

যখন শুমারি কর্মকর্তারা তাদের সন্তানদের বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন, তখন তাদের পিতার নাম রূপচাঁদ উল্লেখ করেছেন এসব নারী। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই নিষিদ্ধপল্লীর ওয়ার্ড নম্বর ৭-এ বসবাসকারীরা জীবনযাপনের খরচ মেটাতে নাচ-গান করেন। তাদের কোনো নির্ধারিত ঠিকানা নেই।

 

রাজ্যটিতে ক্ষমতায় নীতিশ কুমারের সরকার। তারা ৭ই জানুয়ারি থেকে জাতিভিত্তিক শুমারি শুরু করে। জনগণনার এই প্রকল্পে খরচ ধরা হয় ৫০০ কোটি রুপি। রাজ্য সরকার এই কাজটি করছে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে প্রতিটি বাড়িতে বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। দ্বিতীয় ধাপে সব গোত্র, উপগোত্র এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে ডাটা নির্ণয় করা হবে। জনগণনার এই কাজের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু হয় ১৫ই ডিসেম্বর। এতে জনগণের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্যও রেকর্ড করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026