1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নববর্ষ–১৪৩৩ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশি জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালী পারাপত্তির অনুমতি দিয়েছে ইরান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন

বেশি লাভ পেতে মিয়ানমার থেকে আইস আনতেন হোছেন : র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ২০৯ বার দেখা হয়েছে

প্রতি গ্রামে ১৩ থেকে ২৩ হাজার টাকা বেশি লাভ পেতে মিয়ানমার থেকে দেশে আইস নিয়ে আসেন কক্সবাজারের টেকনাফের বাসিন্দা হোছেন ওরফে খোকন। এ আইস বিক্রি হয় ঢাকা ও চট্টগ্রামে। মিয়ানমারে এক গ্রাম আইসের দাম দেড় থেকে দুই হাজার টাকা হলেও বাংলাদেশে এর দাম ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব কথা জানিয়েছেন।

এর আগে সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে পাঁচ কেজি আইস, বিদেশি অস্ত্রসহ হোছেন ও মোহাম্মদ রফিক নামের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, হোছেন এর আগে বার্মিজ কাপড় ও আচার ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ‘অভিজাত শ্রেণির’ কাছে আইস বা ক্রিস্টাল মেথ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় তিনি কয়েক মাস ধরে আইস নিয়ে আসছেন।

র‍্যাবের ভাষ্য, এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে এত বড় আইসের চালান ধরা পড়েনি। এ যাবৎকালের ধরা পড়া সবচেয়ে বড় চালান এটি। হোছেন চক্রের অন্যতম হোতা। আর রফিক তার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন।

গ্রেফতার দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেফতার দু’জন টেকনাফকেন্দ্রিক মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য। চক্রটি কয়েক বছর ধরে অবৈধ মাদক ইয়াবার কারবার করে আসছে। চক্রে ২০ থেকে ২৫ জন যুক্ত। সিন্ডিকেটের সদস্যরা নৌপথ ব্যবহার করে মাদকের চালান দেশে নিয়ে আসছে। ঢাকার উত্তরা, বনানী, গুলশান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় তাদের সিন্ডিকেট সদস্য রয়েছে। তাদের বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026