1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শহীদ জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মাদক ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে নৈতিক শিক্ষা ও ক্রীড়াচর্চার বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত লবণ প্রয়োগে অবহেলা ও অসচেতনতায় কোরবানির চামড়ার গুণগত মান ব্যাহত মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল ও স্বপ্নার চার্জগঠন শুনানি শুরু ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর কৌশলগতভাবে দুর্বল অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি নিরাপত্তা বিশ্লেষকের টেকনাফে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে ট্রাম্প-শারা ফোনালাপ টানা সাত দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু সৌদিতে আরও ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ১১ হাজার হাজি

লবণ প্রয়োগে অবহেলা ও অসচেতনতায় কোরবানির চামড়ার গুণগত মান ব্যাহত

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সচেতনতার অভাব এবং সময়মতো লবণ প্রয়োগ না করার কারণে মাঠপর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দামে ব্যবসায়ীরা চামড়া বিক্রি করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, চামড়া সংরক্ষণে সহায়তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করা হলেও মাঠপর্যায়ে অসচেতনতার কারণে তার সুফল পুরোপুরি পাওয়া যায়নি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোরবানির পরপরই পশুর চামড়ায় যথাযথ নিয়মে লবণ প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লবণ না দিলে চামড়া দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এবার অনেক ক্ষেত্রে এই প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনুসরণে অবহেলা দেখা গেছে। ফলে চামড়ার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তা বিক্রির ক্ষেত্রে নানামুখী সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের চামড়া শিল্পের গুণগত মান ধরে রাখতে হলে প্রাথমিক আহরণকারীদের এই বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সরকার সাধারণত লবণযুক্ত এবং যথাযথ উপায়ে সংরক্ষিত মানসম্মত চামড়ার জন্যই প্রতি বছরের মতো মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। তবে বাংলাদেশে চামড়া বিক্রির প্রক্রিয়ায় একটি বড় অংশ আসে ব্যক্তিগত কোরবানি থেকে, যার সিংহভাগই বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা বা স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দান করে দেওয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ চামড়া একসঙ্গে জমা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা বা জনবল থাকে না। ফলে একটি বড় অংশ প্রক্রিয়াজাতকরণের আগেই পচন প্রক্রিয়ার শিকার হয়। চামড়ার মান এভাবে কমে যাওয়ার কারণেই প্রান্তিক পর্যায়ে অনেক সময় নির্ধারিত মূল্য পাওয়া সম্ভব হয় না।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চামড়া যেন নষ্ট না হয় এবং মৌসুমী ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেজন্য সরকার এবার বিনামূল্যে লবণ বিতরণের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিল। সরকারি এই সহায়তার মূল উদ্দেশ্যই ছিল প্রান্তিক পর্যায়ে চামড়া সংরক্ষণ ব্যয় কমিয়ে আনা এবং মান সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তবে মাঠপর্যায়ে এই লবণের সঠিক ব্যবহার এবং সময়মতো চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে এক ধরনের সচেতনতার ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধে মাঠপর্যায়ে ব্যাপকভিত্তিক সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চামড়া খাতের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সঠিকভাবে এবং সঠিক সময়ে সংরক্ষণ করা গেলে কোরবানির পশুর চামড়া দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যশিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চমানের কাঁচামাল হিসেবে অবদান রাখতে পারে। এটি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করে। সামগ্রিক খাতটিকে লাভজনক করতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চামড়ার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে কাঁচা চামড়া ছাড়ানো থেকে শুরু করে আড়ত পর্যন্ত পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপে আরও পেশাদারিত্ব ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণের ওপর জোর দেন মন্ত্রী।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026