1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার কবলে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-৩ নম্বর ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনার পর মৃতদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার সময় আরও একটি মর্মান্তিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে, নাসিমা বেগম, তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন এবং চার বছরের শিশু আব্দুর রহমানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে পারিবারিক কবরস্থানের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন কুষ্টিয়ার এলাকায় ওই মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

অভ্যন্তরীণ সূত্র এবং স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে পেছনে সরে যায় এবং ক্ষুদ্র ধরনের সংঘর্ষ ও টালমাটাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তবে তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকারীদের তৎপরতার ফলে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার পরে প্রয়োজনীয় পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মৃতদেহগুলো নিরাপদে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, পুলিশ পরিস্থিতি নজরদারিতে রেখেছে এবং দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত যেকোনো অনিয়মের তদন্ত করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেনও নিশ্চিত করেছেন, জেলা প্রশাসন নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং জরুরি সহায়তা হিসেবে প্রত্যেক পরিবারের জন্য ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

স্থানীয়রা এই ঘটনাকে আরও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন। দুর্ঘটনা প্রমাণ করে যে, নৌপথ ও ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা, বিশেষ করে মরদেহ বা গুরুত্বপূর্ণ মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। পাশাপাশি, উদ্ধার ও পরিবহন কার্যক্রমের সময় সমন্বিত এবং অভিজ্ঞ দলবাহিনীর উপস্থিতি অপরিহার্য।

এই দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণ উভয়ই নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026