1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম ১৮০ দিনের মধ্যে শুরু করবে সরকার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগীয় প্রশাসন সভায় ভূমিমন্ত্রীর সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলামের মৃত্যুতে শোক ইরান সতর্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি হলে মার্কিন স্থাপনাগুলো ‘বৈধ লক্ষ্য’ বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র খাতে নতুন উদ্যোগ: সিলেটে খাদ্য নিরাপত্তা ও আইটি উন্নয়ন ত্বরান্বিত উত্তর কোরিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের কংগ্রেস শুরু, পারমাণবিক কর্মসূচির পরবর্তী ধাপের ইঙ্গিত রমজানে বাজার ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে পঞ্চগড়ে সমন্বয় সভা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে বকেয়া পরিশোধ না করায় স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

 

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ হাজার ৭৭৯ দশমিক ০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক–এর নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই দিনের ব্যবধানে রিজার্ভে প্রায় ০ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা ভিন্ন হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল–এর ব্যালান্স অব পেমেন্টস ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৬৪ দশমিক ৩২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।

বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ গণনার ক্ষেত্রে মোট গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য নির্দিষ্ট দায় বাদ দেওয়া হয়। ফলে এই পদ্ধতিতে নিট বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত হয়। আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা ও বৈদেশিক লেনদেন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই হিসাব পদ্ধতি অধিক গুরুত্ব পায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বগতি অর্থনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নেমে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল। সে সময় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ে চাপের কারণে রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা দেয়।

এর পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। আমদানি নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা, রপ্তানি আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ, প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা এবং বৈদেশিক সহায়তা প্রাপ্তি—এসব কারণে ধীরে ধীরে রিজার্ভের অবস্থার উন্নতি ঘটে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপের কৌশল সমন্বয় করে ডলারের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা করে।

রিজার্ভ বৃদ্ধির ফলে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে আস্থা ধরে রাখতে সুবিধা সৃষ্টি হয়। সাধারণভাবে একটি দেশের রিজার্ভ যত শক্তিশালী থাকে, বৈদেশিক খাতে অস্থিরতা মোকাবিলায় সক্ষমতা তত বাড়ে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ঋণ গ্রহণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রেও রিজার্ভ একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে হলে রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রক্ষা জরুরি। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সময়সূচি ও ডলার সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ্রস রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়া সাম্প্রতিক মাসগুলোর তুলনায় একটি ইতিবাচক প্রবণতা নির্দেশ করছে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিট রিজার্ভের অবস্থান ও বৈদেশিক দায়-দেনার সামগ্রিক চিত্র বিবেচনায় রেখে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026