1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা পলিসি ও প্রশাসন বিষয়ে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মন্তব্যে পুনর্বাসন ও অগ্রাধিকার খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি চালাচ্ছেন মাভাবিপ্রবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, উপাচার্য কার্যালয়ে তালা

রহস্য ৬৩৩ কোটি টাকা লেনদেনে মোবাইল ফোন রিচার্জের এক মালিকের দুই দোকানে বিপুল অর্থ দেনদেন নেপথ্যে হুন্ডি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

মেসার্স আলমগীর এক্সপ্রেস ও নাসুয়া এক্সপ্রেস। একই মালিকের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা মূলত মোবাইল রিচার্জের অর্থাৎ ফ্ল্যাক্সিলোডের। গত এক বছরে এই দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৩৩ কোটি টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ)। মোবাইল রিচার্জের আড়ালে এই প্রতিষ্ঠানে হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগটি প্রথমে চিহ্নিত করে বিএফআইইউ। এরপর সংস্থাটি এ নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) অবহিত করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেসার্স আলমগীর এক্সপ্রেস নামের দোকানটি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়া বাজারের ওবায়েদ উল্লাহ সুপার মার্কেটে। এর ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া ২ নম্বর উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। মালিক কুতুব উদ্দিন শাওন। একই মালিকের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন থেকে আরেকটি মোবাইল রিচার্জের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া হয়েছে। নাম নাসুয়া এক্সপ্রেস। ট্রেড লাইসেন্স কুমিল্লা এলাকায় নেওয়া হলেও ওই দুই প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে রাজধানীর গুলশান ও বনানী এলাকা থেকে। কুতুব উদ্দিন শাওনের দুই দোকানে এক বছরে প্রায় ৬৩৩ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে বিএফআইইউ এবং সিআইডির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মেসার্স আলমগীর এক্সপ্রেস নামে কুমিল্লার মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে গত এক বছরে ৮১ কোটি ৬১ লাখ টাকা জমা করা হয়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে গুলশান থেকে ১৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টে।

একই শাখায় নাসুয়া এক্সপ্রেস নামে থাকা অ্যাকাউন্টে গত এক বছরে জমা হয়েছে ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় হলেও বনানী এলাকা থেকে অনলাইনে ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হয় ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এসব টাকার মধ্যে কুমিল্লা ইসলামী ব্যাংকের শাখায় মেসার্স গাজী আইটি নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে নাসুয়া এক্সপ্রেস নামের অ্যাকাউন্টে ৫৯ লাখ টাকা জমা করা হয়। দুই অ্যাকাউন্টধারীর ব্যবসার সঙ্গে মিল বা সামঞ্জস্যতা না পাওয়ায় অস্বাভাবিকতার সন্দেহ খুঁজে পায় বিএফআইইউ। লেনদেনসমূহের সঙ্গে গ্রাহকের ব্যবসার মিল না পাওয়ায় অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে বিএফআইইউ এর সন্দেহের কথা সিআইডিকে অবহিত করে। সিআইডি সূত্র জানায়, কুমিল্লায় ইস্টার্ন ব্যাংকের এসএমই শাখায় মেসার্স আলমগীর এক্সপ্রেস নামে আরেক অ্যাকাউন্ট আছে। এখানেও ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা জমা হয়েছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026