1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

নদী পারাপারে ভরসা বাঁশের সাঁকো-নৌকা ৫০ বছরেও হয়নি সেতু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২১ মে, ২০২৩
  • ১০৪ বার দেখা হয়েছে

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সখীপুরের ১৬ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো ও নৌকা। উপজেলার সীমান্তবর্তী বংশাই নদীর বড়ইতলা এলাকায় সেতু না থাকায় প্রায় ৫০ বছর সেতু না হওয়ায় এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা। সাঁকো ও নৌকা দিয়েই এই এলাকার বাসিন্দারা স্কুল-মাদরাসা ও সাপ্তাহিক হাট-বাজারে যাতায়াত করেন। সরেজমিন দেখা যায়, সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর, কৈয়ামধু, আকন্দপাড়া, নয়াপাড়া, দোপাপাড়া, কাছারপাড়া, আবাদী, মাজারপাড়া, সারিপ্যাচ, খালপাড়া এবং বাসাইলের গিলাবাড়ি, কল্যাণপুর, ডুংলিপাড়া, বার্তা, কাউলজানি ও সুন্ন্যা গ্রামের মানুষের চলাচলের মাধ্যম বংশাই নদীর বাঁশের সাঁকো অথবা নৌকা। গর্ভবতী মা, বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হয় সাঁকো দিয়ে। সেতুর দাবিতে মানববন্ধনসহ গণ্যমান্যরা বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেলেও শুধু প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন বলে জানান এলাকাবাসী। বড়ইতলা গ্রামের আবদুল জলিল মিয়া বলেন, বয়স্ক ও গর্ভবতীদের নিয়ে সাঁকো পারাপারের সময় সবাই আতঙ্কে থাকে। বর্ষার সময় নৌকা আর সারা বছর সাঁকো দিয়েই চলাচল করতে হয়। এসএ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সানোয়ার হোসেন বলেন, সাঁকো ও নৌকা দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বড়ইতলা এলাকায় একটি সেতু হলে অনেক গ্রামের মানুষের উপকার হতো। সখীপুরের ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, বছরের পর বছর আমরা একটি সেতুর জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছে আবেদন করেছি। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনো সেতু নির্মাণ হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ বলেন, আমরা গ্রামের সাধারণ মনুষের জন্য বড়ইতলা এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কাছে বহু আবেদন-নিবেদন করেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কবে হবে এমন কোনো আশ্বাসও পাইনি। আমরা এখনও দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছি।

জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম  বলেন, বর্তমানে অনেক ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণকাজ চলছে। আরও কিছু ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আশা করছি তার মধ্যে বড়ইতলায় সেতুর কাজও থাকবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com