1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

রাজউকের ২৫ প্রতিষ্ঠানের ৪১ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্পের বিবেচনায় খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন ভাঙার অগ্রগতি নেই। এমনকি ভবনগুলো খালি করতে দেওয়া নির্দেশনারও বাস্তবায়ন হয়নি।

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৪৩ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ‘এ’ ব্লক। ভবনটির নিচতলায় বিপণিবিতান। সেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসেন। কিন্তু ভূমিকম্পের বিবেচনায় ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভবনটি ভাঙতে বলেছে। তবে রাজউক বা মালিকপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

শুধু বিএসএমএমইউর ‘এ’ ব্লক নয়, রাজউকের আওতাধীন এলাকায় এমন আরও ৪১টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পেয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে একটি ভবন ভাঙা হয়েছে। বাকি ৪১টি ভবন ভাঙা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের আরবান রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় ৩ হাজার ২৫২টি সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবন ‘র‌্যাপিড ভিজ্যুয়াল অ্যাসেসমেন্ট’ করা হয়। এরপর এসব ভবনের মধ্যে তুলনামূলক খারাপ এমন ৫৭৯টির ‘প্রিলিমিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট’ (পিইএ) করা হয়। এতে দেখা যায়, ৪২টি ভবন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এগুলো ভাঙার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পের কারিগরি কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের ভূমিকম্পসংক্রান্ত ম্যাপ অনুযায়ী ৪২টি ভবন খুব ঝুঁকিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরোনো ভবন মজবুত করার খরচ নতুন করে নির্মাণ ব্যয়ের ৪০ শতাংশের বেশি হলে সেটি ভাঙার সুপারিশ করা হয়। এই ৪২টি ভবনের ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে ঐতিহাসিক মূল্য আছে, এমন ভবন মজবুতকরণের (রেট্রোফিটিং) মাধ্যমে টিকিয়ে রাখতে পারে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com