করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধের পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ায় দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ কথা জানিয়েছেন বলে
প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ জাতীয় সংসদে বলেছেন, করোনার কারণে বন্ধ থাকা স্কুল-কলেজ শিগগিরই খুলে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এসময় তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে
কম্পিউটার ট্রেনিং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন কোর্স সম্পন্নকারী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। কম্পিউটার ট্রেনিং ফাউন্ডেশনের অধীনে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পল্লবীস্থ কম্পিউটার ট্রেনিং ফাউন্ডেশনের সবুজ
নিজামুল হক ও আরফিন শরিয়ত এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ভর্তি সার্কুলারের সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। কিন্তু প্রথম বারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির
গত বছরের ৮ মার্চ করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। এরমধ্যে কয়েকবার চেষ্টা করেও এই মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। তবে
মহামারি করোনাভাইরাসের বিপর্যয় মোকাবিলা করে দিল্লির স্কুল আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ধাপে ধাপে স্কুল খোলার কথা ভাবা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ
দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ১৫ অক্টোবরের পর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খুলতে পারে। তবে তার আগে অবশ্যই শিক্ষার্থীদের টিকা ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য আগামী কয়েকদিনের মধ্যে
সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের স্নাতকে চলতি বছরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া পরীক্ষায় সশরীরে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের
যতই দিন যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন মহলের চাপ বাড়ছে। শুধু অভিভাবক ও শিক্ষক নয়, শিক্ষা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনেস্কো এবং ইউনিসেফও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। অভিভাবক