1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষাব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিয়ে পরিবর্তনের ঘোষণা নতুন শিক্ষামন্ত্রীর ভ্যাটিকান অংশ নেবে না ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’-এ দেশে ভয়মুক্ত গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি নতুন তথ্যমন্ত্রীর কুছ কুছ হোতা হ্যায়-এর রানি মুখার্জির চরিত্রে রাভিনা ট্যান্ডনের সম্ভাবনা ছিল নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সাভারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ডলার চুরির মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ রয়েল এনফিল্ড উদযাপন করল বাংলাদেশে কার্যক্রমের প্রথম বর্ষপূর্তি, উন্মোচন Classic 350 ও Meteor 350 সৌদি আরবে রমজান মাসে পবিত্র মসজিদগুলোর প্রস্তুতি তদারকি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক বছরের অভিযান: ১৭ হাজার ৫১৬ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে জটিলতা নিরসনে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের ভূমিকা, জানালেন পিসিবি চেয়ারম্যান

করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা সাহাবউদ্দিন মেডিক্যালে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ১১৬ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই কভিড-১৯ পরীক্ষা ও  র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করে আসছিল রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত সাহাবউদ্দিন মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতাল। অথচ তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় অনুমোদন বাতিল করা হয়েছিল।

আজ রবিবার বিকেলে হাসপাতালটিতে অভিযান শুরু করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করছিল। এ ছাড়া তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নেয় বলে অভিযোগ পেয়েছি।

তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় এই অনুমোদন বাতিল করা হয়। এর পরও তারা গোপনে কভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এই টেস্টগুলো তারা ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই ডিভাইস ব্যবহারের অনুমোদন নাই। আর যেসব রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।

দ্বিতীয় অভিযোগ হলো- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের অন্যান্য হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগ হলো- তারা কিছু প্রোডাক্ট যেমন-মাস্ক, গ্লাভস-এগুলো তারা একের অধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত ওয়ানটাইম ইউজেবল। কিন্তু তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, আমরা পুরো হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করছি। হাসপাতালের ঔষধাগারেও অভিযান চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com