1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ববি দীর্ঘ আট বছরের বিরতি ভেঙে মোস্তফা কামাল রাজের নির্দেশনায় ফিরলেন জাহিদ হাসান ওটিটিতে ফিরছেন আরিফিন শুভ, বিপরীতে কেয়া পায়েল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ও গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্যের ডাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আবাসন ও নগর উন্নয়নে মার্কিন সহায়তা প্রত্যাশা গৃহায়ণ মন্ত্রীর খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি: বিএফইউজে নেতাদের নিন্দা, জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশ: আসছে ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা

করোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণা সাহাবউদ্দিন মেডিক্যালে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ১৪৪ বার দেখা হয়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই কভিড-১৯ পরীক্ষা ও  র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করে আসছিল রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত সাহাবউদ্দিন মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতাল। অথচ তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় অনুমোদন বাতিল করা হয়েছিল।

আজ রবিবার বিকেলে হাসপাতালটিতে অভিযান শুরু করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান চলাকালে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করছিল। এ ছাড়া তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নেয় বলে অভিযোগ পেয়েছি।

তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাদের কভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় এই অনুমোদন বাতিল করা হয়। এর পরও তারা গোপনে কভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এই টেস্টগুলো তারা ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই ডিভাইস ব্যবহারের অনুমোদন নাই। আর যেসব রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।

দ্বিতীয় অভিযোগ হলো- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের অন্যান্য হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগ হলো- তারা কিছু প্রোডাক্ট যেমন-মাস্ক, গ্লাভস-এগুলো তারা একের অধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত ওয়ানটাইম ইউজেবল। কিন্তু তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, আমরা পুরো হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করছি। হাসপাতালের ঔষধাগারেও অভিযান চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026