1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করাই বাংলাদেশ গড়ার মূল চাবিকাঠি: ববি হাজ্জাজ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা তীব্র ইরানে বিক্ষোভে নিহত ও আহতদের সংখ্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক উত্তাপ বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম অফিসিং: ধর্মগুরুদের সম্মানী ও কর্মসংস্থান নীতি চূড়ান্ত বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ‘এক পরিবার, এক প্রার্থী’ নীতি কার্যকর নারায়ণগঞ্জে এনসিপি দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, এক কর্মী আহত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে দক্ষ মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থানের ওপর জোর দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী জামায়াতে ইসলামী সংরক্ষিত নারী আসনে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার নীতিমালা জারি যাত্রাবাড়ীতে চেকপোস্টে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কনস্টেবল আহত

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ‘এক পরিবার, এক প্রার্থী’ নীতি কার্যকর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

 

রাজনীতি ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপিতে ইতোমধ্যেই নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দল ঘোষণা করেছে, সংরক্ষিত নারী আসনে এক পরিবারের একজনের বেশি প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে না। এই নীতির ফলে নতুন মুখদের সংসদে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে এবং রাজনৈতিক পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেসব পরিবারের সদস্য ইতিমধ্যেই সংসদ বা মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এ পরিস্থিতিতে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের প্রস্তুতি দ্রুত শুরু হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সাধারণ আসনে যে দল যতটি আসন জয়ী হয়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বিতরণ করা হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে আনুমানিক ৩৫টি আসন পাবার যোগ্য। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হওয়ায় তাঁরাও সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হতে পারেন। যদি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পুনরায় বিএনপিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়, তবে বিএনপির জন্য সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বেড়ে ৩৭টির মতো হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা চলছে এবং ঈদের আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এক পরিবার এক প্রার্থী নীতি মেনে চলার মাধ্যমে দলীয় নেতৃত্বে ভারসাম্য ও নতুন নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এই নীতি মেনে চললে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং রাজনৈতিক পরিবারের নারী নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনেকেই মনোনয়ন তালিকায় বাদ পড়তে পারেন। তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় নেত্রীদের অবদান বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখাতে পারেন।

দলের সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় শুধুমাত্র সুপারিশের ভিত্তিতে নয়, মাঠ পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা, অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অবদান বিচার করে প্রার্থী বাছাই করা হবে। প্রাথমিকভাবে একটি বিস্তৃত তালিকা তৈরি করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সংক্ষিপ্ত তালিকায় প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। চূড়ান্ত অনুমোদন সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে দেওয়া হবে।

এবার সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র হিসেবে তার সম্ভাব্য মনোনয়নও আলোচনা হয়েছে। তার পাশাপাশি মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সাবেক এমপি শাম্মী আকতার ও নিলোফার চৌধুরী মনি প্রমুখ প্রার্থীরা আলোচনায় আছেন।

এছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পিরোজপুর ও পটুয়াখালী জেলার প্রভাবশালী নারীনেত্রীদের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। তারা দীর্ঘদিন দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন এবং সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। কিছু প্রার্থী ইতিপূর্বে স্বামী বা পরিবারের সদস্যের রাজনৈতিক ত্যাগের কারণে দলের মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন।

সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়া মাত্রই জাতীয় সংসদে নারী নেতৃত্বের নতুন ফ্রন্ট তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হবে। রাজনৈতিক পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, নতুন নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি এবং মাঠ পর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026