সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে যাচ্ছে বিএনপি। ২৭ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আসতে পারে পদযাত্রা, সমাবেশ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন, বিক্ষোভের মতো যুগপৎ কর্মসূচি। অবস্থা বুঝে
কড়া নাড়ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ডিসেম্বরের শেষে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসেবে নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে সময় মাত্র পাঁচ মাস। এই কয়েক
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় সমাবেশ করার চার দিন পরই রাজধানী ঢাকায় বিএনপির আরেকটি মহাসমাবেশের উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে আলোচনা চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে। দলটির নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করে, সরকারের ওপর
এক দফার আন্দোলনে আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকায় মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছে বিএনপি। আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে গণ–অভ্যুত্থান সৃষ্টি করতে চাইছে দলটি। তবে কোনোভাবেই সহিংস কর্মসূচিতে না যাওয়ার কথা বলছে তারা। এক দফার
আন্দোলনের কৌশল চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে এক দফা দাবি আদায়ে সরকারকে চাপে ফেলতে রাজধানীতে কয়েক দফা মহাসমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। এর প্রথমটি ২৭ জুলাই,
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী জোট ও বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ছে। বড় ধরনের শোডাউনের মধ্য দিয়ে দু’পক্ষই ক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। প্রতিপক্ষের
রাজপথ দখলে রাখতে ‘চূড়ান্ত লড়াই’-এর দিকে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। বিরোধীদের মহাসমাবেশের দিন আগামী বৃহস্পতিবার রাজধানীতে পাল্টা সমাবেশের ডাক দিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে জনমনে। আগামী
আগামী ২৭ জুলাই বিএনপির কর্মসূচি ঘিরে রাজপথে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতার অপচেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তারা মনে করছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুলের লক্ষ্য নিয়ে বিএনপির মহাসমাবেশ
সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকার মহাসমাবেশে বিপুলসংখ্যক লোক জড়ো করতে চায় বিএনপি। এরপর সরকার পতনের দাবিতে রাজধানীকেন্দ্রিক টানা কর্মসূচিতে থাকতে চায় দলটি। তাই মহাসমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে
সরকার পতনের দাবিতে এবার ঢাকায় ২৭ জুলাই মহাসমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। গতকাল শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তারুণ্যের সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই দিন