দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে বিরোধী শিবির। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের একদফা দাবি
এলাকার আধিপত্য কিংবা দলীয় পদপদবি নিয়ে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নতুন নয়। অনেক এলাকায় মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের বিরোধ সারা বছরই লেগে থাকে। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতাসীন
জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ আগের অবস্থানে অনড় রয়েছে। সংবিধানের আলোকেই আগামী নির্বাচন করতে চায় ক্ষমতাসীনরা। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি কূটনীতিকদের চাপ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপিসহ
একদফা দাবিতে শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে গণমিছিল করবে বিএনপি। বুধবার দুপুরে বিএনপি’র নয়াপল্টন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকা মহানগর
সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। নেতারা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে যেভাবে তড়িঘড়ি করে নেতাকর্মীদের বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে, তাতে ন্যায়বিচারের
প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধী দল ও বড় আরেক দলের প্রধান নারী—এমন আত্মতুষ্টি রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধিতে কোনো কাজে আসছে না। ২০২০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলের সব কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ
মাসের শুরুতেই ঢাকায় পরপর দুটি বড় সমাবেশ করে একধরনের সন্তুষ্টি কাজ করছে আওয়ামী লীগে। ক্ষমতাসীন দলটি এখন বিরোধী দলের কৌশল দেখার অপেক্ষায়। বিএনপি নতুন করে কেমন কর্মসূচি দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র চার মাস। বিগত দুটি সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনের সিদ্ধান্তে অনড় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক
সরকার পতনে বিএনপিতে অভিন্ন চ্যালেঞ্জ। আন্দোলন, কূটনৈতিক মিশন— এক সাথেই চলছে। জ্বালাও-পোড়াও, সংঘাত-সহিংসতায় না গিয়ে গণতান্ত্রিক পথগুলোকেই বেছে নিয়েছে বিএনপি। আপাতত জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই চূড়ান্ত মুভমেন্টে যাচ্ছে না
পুরোনো দুটি নাশকতার মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, রিজভী আহমেদ, শিমুল বিশ্বাস, শামা ওবায়েদসহ ৬৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন ঢাকার দুটি আদালত। ১১ বছর আগে ২০১২ সালের