1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে ত্বরান্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ওয়ানডে সিরিজ মার্চে শুরু চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র রমজান মাসে মানবিক সহমর্মিতার গুরুত্বে গুরুত্বারোপ জার্মানির চ্যান্সেলর মের্ৎস আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ ব্যবস্থা, সেচ মৌসুমে চাষিদের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ঈদের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ, ৮ উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের পরিকল্পনা উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, রমজান ঘিরে বাজার তদারকিতে সহযোগিতা চাইলেন ডিএমপি কমিশনার নতুন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে ৮ জনকে দপ্তর বণ্টন

জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ২৩৩ বার দেখা হয়েছে

ভুক্তভোগী বিবি হাজেরা শিরিন আলী জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হল-এ এক জরুরী সংবাদ সম্মেলন বলেন তিনি ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন কলতাসুতী নামক এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।তার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় জীবনযাপন করিতেছে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে তার স্বামী সংসারে স্বাচ্ছন্দ ফিরে আনার জন্য বিগত ৩০/০৬/২০১৬ইং তারিখে তার ভাসুর আবু হানিফ পালোয়ানের নিকট থেকে “ডোমনা মৌজাস্থিত” এস.এ-৪০ এবং আর.এস-৮৫নং দাগের ৩১ (একত্রিশ) শতাংশ সম্পত্তি বায়নাপত্র দলিল নং-৫২৫৮ মূলে রেজিষ্ট্রী করে দেয়।

পরবর্তীতে তার ভাসুর অতি লোভের বশবর্তী হয়ে তার স্বামীর নামীয় বায়নাকৃত রেজিষ্ট্রীকৃত সম্পত্তি না জানিয়ে তার স্বামীর নাম ও দস্তখত জাল করে পাঁচ মাস পর বায়নাকৃত রেজিষ্ট্রী ৯২৮২নং দলিল মূলে বিগত ৩০/১১/২০১৬ইং তারিখে বাতিল/পন্ড করে দেয়।

পরবর্তীতে ভাসুর আবু হানিফ পালোয়ান পন্ড দলিল সম্পাদনের ২২ দিন পর বিগত ২২/১২/২০১৬ইং তারিখে ভাসুরের স্ত্রী বিথী হানিফের নামে ১০০৯০নং দলিল মূলে পুনরায় “হেবার ঘোষণা” পত্র দলিল রেজিষ্ট্রী করে দেয় এবং উক্ত বায়নাপত্র দলিলে বিথী হানিফ স্বাক্ষী থাকা সত্ত্বেও জেনে শুনে জাল-জালিয়াতি করে।

ভাসুর আবু হানিফ পালোয়ান পুনরায় উক্ত বর্ণিত সম্পত্তি তার স্ত্রীর নামে হেবা দেয়ার ৩৬ দিন পর আমার স্বামী মোঃ শের আলী মতিয়ার এর নামে বিগত ২৮/১২/২০১৬ইং তারিখে ১০৩৪১নং রেজিষ্ট্রী “হেবার ঘোষণা পত্র দলিল” মূলে আবার রেজিষ্ট্রী করে দেয়। আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির চৌহদ্দী নিয়ে আপত্তি করায় কামাল আহম্মেদ খানের কথামতো দলিলে চৌহদ্দী দেওয়ার পরও উক্ত কামাল আহম্মেদ খান ঐ দিনই আমার স্বামীর মালিকানাধীন এম এম প্লাজার ম্যানেজার বাবু মনিন্দ্র কুমার সরকারকে কামাল আহমেদ খান মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে বলে এম এম প্লাজা নাকি আমার পাচার মধ্যে ঢুকাইয়া দিবে এবং আমাকে প্যাকেট করে বরিশাল পাঠিয়ে দিবে। এছাড়াও সে বলে বগলের নীচে দলিল নিয়ে ঘুরলে কিন্তু জমির দখল পাবে না। আবার বলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে চৌদ্দ শিকের মধ্যে ঢুকাইয়া দিবে। ক্ষমতায় আছি, কিন্তু ক্ষমতা দেখাই না, এখন দেখাবো। মোবাইল রেকর্ড সংরক্ষিত আছে।

অতঃপর তার স্বামী রেজিষ্ট্রীকৃত উক্ত “হেবা নামা দলিল” মূলে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর ভূমি অফিসে নামজারী করতে গিয়ে জানিতে পারে যে তার স্বামীর নামীয় সম্পত্তি আমার ভাসুর আবু হানিফ পালোয়ান ইতিপূর্বে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে তার স্ত্রী বিথী হানিফের নামে নামজারী করাইয়া নিয়াছে। বিষয়টি আমরা অবহিত হওয়ার পর আমার ননদের শ্বশুর জনাব আজমত উল্লা খাঁন সহ কতিপয় নিকট আত্মীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে জানাই।

কিন্তু আমার ননদের শ্বশুর জনাব আজমত উল্লা খাঁন সাহেব এ বিষয়ে কিছু করতে পারবে না এবং ঐ জমি তার ছেলে মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন ও তার ছেলের স্ত্রী ফাতেমা মতিয়ারকে লিখে দেওয়ার জন্য সাফ জানিয়ে দেয়। বিষয়টি কোন সুরাহা করিতে না পারায় আমরা একান্ত বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নেই। অর্থাৎ গাজীপুর বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করি। যাহার নং-২৯/২০১৭। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত আমার বাদী পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে বিগত ২৪/০১/২০১৮ইং তারিখে বর্ণিত সম্পত্তির উপর Status-quo প্রদান করে। অর্থাৎ Till disposul of the Petition of temporary injuction. মর্মে আদেশ প্রদান করেন।

অতঃপর আমার ননদের স্বামী মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন ও ননদ ফাতেমা মতিয়ার এবং আমার ননদের শ্বশুর জনাব আজমত উল্লা খাঁন সাহেব আমাদেরকে উক্ত সম্পত্তি থেকে চিরতরে বিতাড়িত করার উদ্দেশ্যে সবকিছু জেনে শুনেও প্রতারনা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে আমার স্বামীর ক্রয়কৃত মোট ৩১ শতাংশ সম্পত্তি থেকে ১৬ শতাংশ সম্পত্তি বিগত ১৬/০৭/২০১৮ইং তারিখে ৫৫২৩নং দানপত্র দলিল মূলে মোঃ কামাল আহম্মেদ গংদের নামে রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করে নেন।

আমার উক্ত ননদের স্বামী মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন অত্যন্ত প্রভাবশালী। মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁনের পিতা জনাব আজমত উল্লা খাঁন সাহেব গাজীপর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক টঙ্গী পৌরসভার মেয়র। উক্ত মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন তার পিতার এবং তার নিজের স্থানীয় প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করিতেছে। এমনকি উক্ত জনাব আজমত উল্লা খাঁন ও তার ছেলে মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন গং স্থানীয় মাস্তান ক্যাডার দিয়ে আমাদের সম্পত্তি দখলের পায়তারা করিতেছে। তারা বিভিন্ন ভাবে ও বিভিন্ন জনের মাধ্যমে আমাদেরকে অহরহ জীবননাশের হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।

ইতিপূর্বেও উক্ত মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন গং আমাদের বাগানবাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে শর্ট গান দেখিয়ে আমাদের সম্পত্তি থেকে অন্যত্র সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়। বর্তমানে আমি উক্ত বর্ণিত বিষয়াদি নিয়ে আমার স্বামী সন্তান এবং পরিবারের অন্যান্যদেরকে নিয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। এতদ্বয় বিষয়ে বিগত ২৭/০৬/২০২১ইং তারিখে কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি। যাহার নং-১০৩৫ এবং আশুলিয়া থানায়ও আরেকটি সাধারণ ডায়েরী করি যাহার নং-১৬৭৭, তাং-২৭/০৬/২০২১।

উক্ত মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন গংদের আচার-আচরণে এবং বাহ্যিক কার্যকলাপে মনে হচ্ছে তারা সম্পত্তির লোভে আমাকে ও আমার স্বামীকে এবং আমার দুই নাবালক ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আমি এবং আমার স্বামী বেশ কয়েকবার আশুলিয়া থানা এবং কাশিমপুর থানার দারস্থ হলেও তাদের কাছ থেকে তেমন কোন আশানুরূপ ফল পাই নাই। যার পরিপ্রেক্ষিতে উপরোক্ত বিষয়টির বিষয়ে মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় গাজীপুরকে বিগত ২৪/০৬/২০২১ইং তারিখে অবহিত করা হয়েছে। যার স্বারক নং-২২৩। কিন্তু বাস্তবতা হলো পুলিশ মোঃ কামাল আহম্মেদ গংদের ক্ষমতার কাছে একান্তই অসহায়। যার কারণে একান্ত নিরুপায় হয়ে আপনার দ্বারস্থ হয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার মাতার সমতুল্য। বিধায় একজন অসহায় মেয়ে হিসাবে মায়ের কাছে জীবন ভিক্ষার আবেদন করিতেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ব্যতীত আমাদের বেঁচে থাকা ও এলাকায় টিকে থাকা দূরহ হয়ে পড়বে। আমি আমার স্বামী সন্তান নিয়ে প্রতিনিয়ত জীবননাশের হুমকি ধামকির ভিতর দিয়ে দিনাতিপাত করিতেছি। যে কোন সময় উক্ত মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন গং তার পিতার দলীয় প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে তাদের পালিত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের সকলকে হত্যার করে ফেলতে পারে। তখন সেটা হবে পত্রিকার শিরোনাম।

ভুক্তভোগী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আবেদন জানাচ্ছি বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে তারা বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার থেকে যাহাতে কোনভাবেই জনাব আজমত উল্লা খাঁন ও তার ছেলে মোঃ কামাল আহম্মেদ খাঁন গং তাদেরকে কোন ভাবে বঞ্চিত করতে না পারে কিংবা সম্পত্তির অধিকার থেকে বিতাড়িত করতে না পারে সে ব্যপাারে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ আইনি সহায়তা পাওয়াসহ সার্বিক সমস্যাদির সমাধান পাইতে পারে সে ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026