1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভাতার দরকার নাই মুক্তিযুদ্ধে লুট হওয়া গরু বাছুর ফেরত চাই : মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ২০২ বার দেখা হয়েছে

উপাধ্যক্ষ এ.টি.এম সাইফুল ইসলাম মাসুম : কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সরকার। ১৯৭১ সালে বর্বর পাকসেনারা নিরীহ বাঙ্গালীদের উপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে নসু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। প্রশিক্ষন নেওয়ার জন্য ভারতের ওমপিনগর ক্যাম্পে যান এবং প্রশিক্ষন নেন। প্রশিক্ষন শেষে মেলাঘর ক্যাম্পে ফেরেন। বিশালঘর থানায় অবস্থান নিয়ে সালদা নদী, সেনের বাজার, নাগাইস, বরদসিয়া এলাকায় মুক্তিযোদ্ধে অংশ নেন। পরে কুমিল্লার দাউদকান্দি, হোমনা ও বাঞ্চারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে আংশ নেন। সে সময় ঘাঘটিয়ারা মসজিদ থেকে পাক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে সারেন্ডার করিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে যান। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সহ যোদ্ধা হিসাবে যাদের পেয়েছেন তারা হলেন আখাউরার মুকুন্দপুর গ্রামের তাজউদ্দিন, বুড়িচং উপজেলার সিদলাইয়ের সামসু মিয়া, নজরুল ইসলাম, নাগাইসের সামসু মিয়া, পুমকারার দেলোয়ার, হোমনার তাহেরসহ আরো অনেকে। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়াদের কমান্ডার ছিলেন মেজর হায়দার। ভারতে প্রশিক্ষন নেওয়ার সময় মেজর জিয়াউর রহমানের সাথে তার কথা হয়। সালদা নদীতে যুদ্ধ চলাকালিন তাদের নেতা ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী।

মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন , যে লক্ষ্য যুদ্ধ করেছি আজও লক্ষ্য পূরন হয়নি। বরং স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিই আজ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বহাল তবিয়তে আছে। ৭১-এ আমি স্বাধীনতা সংগ্রামে রনাঙ্গনে সাহসী ভূমিকা রাখলেও স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আমার নাম নাই। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া আরো বলেন ভারতীয় তালিকা নং-৩১৩৮১,জেনারেল এম এ জি ওসমানী্র মেজর হায়দারের তালিকা নং-৮৩৮৩০ এ তার নাম আছে। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখাতে পারিনি টাকার জন্য। অনেক চেস্টা করেছি আর দরকার নাই আমার এখন একটাই দাবি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার গরু বাছুর গুলো ফেরত দিক। তিনি আক্ষেপ করে বলেন আমি যুদ্ধে যাওয়ার কারনে আমার ঘরের বাছুরসহ ১টি গাভী ২টি বলদসহ মালামাল পাশের গ্রামের রাজাকার কতৃক লুট হয়। ওই রাজাকাররা এখনও বেচে আছে। রাজাকারের ছেলে মেয়েরা এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। আামি সরকারের কাছে আমাদের লুট হওয়া ধন সম্পদ ও গরু গুলো ফেরত চাই। পাশা পাশি আমার দাবি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের যারা মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে ওদের বড় ধরনের জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হোক। আমাকে দেওয়া ভাতা আমি ফেরত দিয়ে দিতে চাই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026