1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

ভাতার দরকার নাই মুক্তিযুদ্ধে লুট হওয়া গরু বাছুর ফেরত চাই : মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সরকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ১৬০ বার দেখা হয়েছে

উপাধ্যক্ষ এ.টি.এম সাইফুল ইসলাম মাসুম : কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সরকার। ১৯৭১ সালে বর্বর পাকসেনারা নিরীহ বাঙ্গালীদের উপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে নসু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। প্রশিক্ষন নেওয়ার জন্য ভারতের ওমপিনগর ক্যাম্পে যান এবং প্রশিক্ষন নেন। প্রশিক্ষন শেষে মেলাঘর ক্যাম্পে ফেরেন। বিশালঘর থানায় অবস্থান নিয়ে সালদা নদী, সেনের বাজার, নাগাইস, বরদসিয়া এলাকায় মুক্তিযোদ্ধে অংশ নেন। পরে কুমিল্লার দাউদকান্দি, হোমনা ও বাঞ্চারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধে আংশ নেন। সে সময় ঘাঘটিয়ারা মসজিদ থেকে পাক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে সারেন্ডার করিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে যান। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া সহ যোদ্ধা হিসাবে যাদের পেয়েছেন তারা হলেন আখাউরার মুকুন্দপুর গ্রামের তাজউদ্দিন, বুড়িচং উপজেলার সিদলাইয়ের সামসু মিয়া, নজরুল ইসলাম, নাগাইসের সামসু মিয়া, পুমকারার দেলোয়ার, হোমনার তাহেরসহ আরো অনেকে। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়াদের কমান্ডার ছিলেন মেজর হায়দার। ভারতে প্রশিক্ষন নেওয়ার সময় মেজর জিয়াউর রহমানের সাথে তার কথা হয়। সালদা নদীতে যুদ্ধ চলাকালিন তাদের নেতা ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী।

মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন , যে লক্ষ্য যুদ্ধ করেছি আজও লক্ষ্য পূরন হয়নি। বরং স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিই আজ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বহাল তবিয়তে আছে। ৭১-এ আমি স্বাধীনতা সংগ্রামে রনাঙ্গনে সাহসী ভূমিকা রাখলেও স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আমার নাম নাই। মুক্তিযোদ্ধা নসু মিয়া আরো বলেন ভারতীয় তালিকা নং-৩১৩৮১,জেনারেল এম এ জি ওসমানী্র মেজর হায়দারের তালিকা নং-৮৩৮৩০ এ তার নাম আছে। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখাতে পারিনি টাকার জন্য। অনেক চেস্টা করেছি আর দরকার নাই আমার এখন একটাই দাবি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার গরু বাছুর গুলো ফেরত দিক। তিনি আক্ষেপ করে বলেন আমি যুদ্ধে যাওয়ার কারনে আমার ঘরের বাছুরসহ ১টি গাভী ২টি বলদসহ মালামাল পাশের গ্রামের রাজাকার কতৃক লুট হয়। ওই রাজাকাররা এখনও বেচে আছে। রাজাকারের ছেলে মেয়েরা এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। আামি সরকারের কাছে আমাদের লুট হওয়া ধন সম্পদ ও গরু গুলো ফেরত চাই। পাশা পাশি আমার দাবি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের যারা মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে ওদের বড় ধরনের জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হোক। আমাকে দেওয়া ভাতা আমি ফেরত দিয়ে দিতে চাই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com