1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

চিরিরবন্দরেবন্যা পরিস্থিতির অবনতি:তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে টানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে বিদ্যালয় মাঠ, খাল-বিল, ডোবা-নালা। ডুবে গেছে বিন্তীর্ণ ফসলের মাঠ। টানা বর্ষণের ফলে দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ। দাম বেড়ে সবজি সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যের। বুধবার (৯ আগষ্ট) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত আজ শনিবার পর্যন্ত মুষুলধারে বর্ষণের ফলে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৃষ্টিপাত থাকার কারণে জেলায় শ্রমজীবি মানুষ কাজে যেতে পারেনি। উপজেলার রাস্তাগুলো ফাঁকা ছিল। দোকানপাট অনেকটাই বন্ধ। শিক্ষার্থীরা বৃষ্টির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারেনি। জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২১৬ মিলি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আরও ২দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার গুচ্ছগ্রাম এর ২০ টি পরিবারের বসতবাড়ি নদীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আশ্রয় নিয়েছে মসজিদে।৭ নং আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের মহাদানী এলাকায় প্রায় ২শত বাড়ী পানিবন্দী হয়ে আছে। ৯ নং ভিয়াইল ইউনিয়ন বির্স্তীন এলাকা প্লাবিত হয়ে সেখানেও শতাধিক এর বেশী পরিবার দুর্বিসহ জীবন জাপন করতেছে। প্লাবিত হয়েছে উপজেলা সদরসহনশরতপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা ঐ এলাকার পরিবারের লোকজন গবাদি পশুসহ আসবাবপত্র নিয়ে বিভিন্ন উচুঁ জায়গায় অবস্থান করছে। এদিকে আত্রাই, ইছামতি, বেলান, কাকড়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে খাল-বিল তলিয়ে জনবসতি পূর্ন এলাকায় প্রবেস করছে ফলে প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা। ভেঙ্গে যাচ্ছে নদীতে থাকা একমাত্র ভরসা বাশেঁর সাঁকো গুলো। আতংকে দিন কাটাছে এই সব এলাকার মানুষ। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে নতুন করে আরও এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন অনেকে।ভ্যান চালক আবেদ আলী জানান ,দুই দিন ধরে কোন কাজ নেই। তাই আজ বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে কাজের সন্ধানে বাজারে এসেছি। অপেক্ষা করেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোন কাজের সন্ধান মেলেনি। বোধহয় আজ আর কাজ মিলবে না। তাই ভাবছি কারো কাছে টাকা ধার করে বাজার করতে হবে। তা না হলে পরিবারের লোকজন না খেয়ে থাকবে।তাছাড়া টানা বর্ষনে আগুন লেগেছে কাঁচা বাজারে। মরিচ এবং পিয়াজের ঝাজ বেড়েছে আরও একদফা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সজবিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে অনেক পন্য।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম রব্বানী জানান, আমরা বৃষ্টিপাতের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এলাকার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমাদের অবহিত করেছে। এদের মধ্যে ভিয়েল, নশরতপুর, আউলিয়াপুকুর, গুচ্ছগ্রাম এবং আব্দুলপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ধসে গেছে অনেক কাঁচা রাস্তা। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে তাদের সহযোগিতা করার নিদের্শনা প্রদান করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026