1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনে তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি কার্যতালিকার ৪৭ নং ক্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ রিটের মাধ্যমে তিনি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পূর্ববর্তী প্রার্থিতা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছেন।

এর আগে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির পর ইসি সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রদান করে। প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমীন।

নির্বাচন কমিশনের শোনানিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, সারোয়ার আলমগীরের ব্যাংক ঋণ সম্পর্কিত তথ্যাদি পর্যাপ্তভাবে পূরণ হয়নি এবং এর ফলে তিনি প্রার্থিতা অর্জনের যোগ্যতা হারিয়েছেন। কমিশন এই অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বৈধভাবে প্রার্থী হওয়ার পরও ঋণখেলাপি সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রার্থিতা বাতিলের এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রার্থী যোগ্যতার প্রমাণপত্র যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের আপিল প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণে আইনি প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

হাইকোর্টে রিটের মাধ্যমে সারোয়ার আলমগীর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত স্থগিত বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করছেন। আগামী শুনানিতে আদালত নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়া, অভিযোগের প্রমাণ ও প্রার্থীর দায়িত্ব পালনের প্রমাণাদি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

চট্টগ্রাম-২ আসনের এই ঘটনা স্থানীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনি তদারকির গুরুত্বকে পুনরায় সামনে এনেছে। এর মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিল বা অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর আর্থিক ও আইনি অবস্থা যাচাই কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা পুনর্ব্যক্ত হচ্ছে। আদালতের সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপি বা আর্থিক অসঙ্গতি প্রমাণিত হলে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা যেতে পারে। এই মামলায় হাইকোর্টের রায় সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে প্রার্থিতা যাচাই প্রক্রিয়ায় আইনগত মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026