1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবি বিএনপির বিজয় দিবসে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্য: জুনে শুরু হচ্ছে ঋণের কিস্তি বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ দিতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, দুই মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা ঈদুল আজহায় সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

ভোটকালীন অনিয়মে অভিযোগ: ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যালট পূরণের প্রক্রিয়ায় বিতর্ক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ উঠে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে রাখা হয়েছিল। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ব্যালট বাক্স সিল করা হয় এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও পুলিশ নৌকা প্রতীকে এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী শেখ হাসিনাকে রাতের বেলা ব্যালট বাক্স ধরে রাখার পরামর্শ দেন। পরে শেখ হাসিনা এই পরামর্শ মেনে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করেন।

তদন্ত কমিশন তিনটি জাতীয় নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) ঘটনা পর্যালোচনা করেছে। কমিশনটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি দলে পরিচালিত হয়। সম্প্রতি তারা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করেছেন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২১৩টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে ১২২টি কেন্দ্রে ৯৯ শতাংশ বা তার বেশি ভোট পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ৭,৬৮৯টি কেন্দ্রে ভোটের শতকরা হার ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে ছিল।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, ভোটের দিনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে ব্যাপকভাবে বাধা দেওয়া হয়। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করেছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সংস্কার ও ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রতিবেদনটি ভোট প্রক্রিয়ায় নিয়মের উলঙ্ঘন, নির্বাচনী প্রভাব এবং প্রশাসনিক দায়িত্বের দিক থেকে অনুসন্ধানী তথ্য উপস্থাপন করছে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পর্যালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026