1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

ভোটকালীন অনিয়মে অভিযোগ: ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যালট পূরণের প্রক্রিয়ায় বিতর্ক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৮ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ উঠে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে রাখা হয়েছিল। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত ব্যালট বাক্স সিল করা হয় এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও পুলিশ নৌকা প্রতীকে এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৎকালীন পুলিশের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী শেখ হাসিনাকে রাতের বেলা ব্যালট বাক্স ধরে রাখার পরামর্শ দেন। পরে শেখ হাসিনা এই পরামর্শ মেনে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করেন।

তদন্ত কমিশন তিনটি জাতীয় নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) ঘটনা পর্যালোচনা করেছে। কমিশনটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইনকে প্রধান করে গঠিত পাঁচ সদস্যের একটি দলে পরিচালিত হয়। সম্প্রতি তারা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করেছেন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২১৩টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে ১২২টি কেন্দ্রে ৯৯ শতাংশ বা তার বেশি ভোট পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ৭,৬৮৯টি কেন্দ্রে ভোটের শতকরা হার ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে ছিল।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে, ভোটের দিনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে ব্যাপকভাবে বাধা দেওয়া হয়। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করেছে, যা ভবিষ্যতের নির্বাচনী সংস্কার ও ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রতিবেদনটি ভোট প্রক্রিয়ায় নিয়মের উলঙ্ঘন, নির্বাচনী প্রভাব এবং প্রশাসনিক দায়িত্বের দিক থেকে অনুসন্ধানী তথ্য উপস্থাপন করছে। এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পর্যালোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026