1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

কক্সবাজারে ডাকাত সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে আবদুর রহিম ওরফে ‘রইক্ষ্যা ডাকাত’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনা বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে ঘটেছে। নিহত আবদুর রহিম টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, হাবিবুর রহমানের ছেলে।

টেকনাফ নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নি:) সুশান্ত আজ সকাল ১০টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠাবে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রেজিস্টার্ড ক্যাম্প এলাকায় একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভোরে ফজরের নামাজের সময় নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নিহত আবদুর রহিমের মৃত্যু ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ অভিযানে নেমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। টেকনাফ অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কক্সবাজারে ডাকাতি ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনজীবন ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। এই হত্যাকাণ্ড তদন্তের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্য পুলিশের।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com