1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

কক্সবাজারে ডাকাত সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫২ বার দেখা হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে আবদুর রহিম ওরফে ‘রইক্ষ্যা ডাকাত’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনা বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে ঘটেছে। নিহত আবদুর রহিম টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, হাবিবুর রহমানের ছেলে।

টেকনাফ নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নি:) সুশান্ত আজ সকাল ১০টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠাবে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রেজিস্টার্ড ক্যাম্প এলাকায় একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভোরে ফজরের নামাজের সময় নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নিহত আবদুর রহিমের মৃত্যু ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ অভিযানে নেমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। টেকনাফ অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কক্সবাজারে ডাকাতি ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনজীবন ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। এই হত্যাকাণ্ড তদন্তের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্য পুলিশের।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026