1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কক্সবাজারে ডাকাত সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে আবদুর রহিম ওরফে ‘রইক্ষ্যা ডাকাত’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনা বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে ঘটেছে। নিহত আবদুর রহিম টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়া পাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, হাবিবুর রহমানের ছেলে।

টেকনাফ নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নি:) সুশান্ত আজ সকাল ১০টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠাবে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রেজিস্টার্ড ক্যাম্প এলাকায় একাধিক গুলির শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভোরে ফজরের নামাজের সময় নয়া পাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নিহত আবদুর রহিমের মৃত্যু ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ অভিযানে নেমে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। টেকনাফ অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কক্সবাজারে ডাকাতি ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনজীবন ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। এই হত্যাকাণ্ড তদন্তের মাধ্যমে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শৃঙ্খলা ফেরানোর লক্ষ্য পুলিশের।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026