1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী বাজেটে বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাকের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনার আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে: মির্জা ফখরুল সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন মিরপুরে শিশু গৃহকর্মী হত্যা: অ্যাডভোকেট ও আইটি ইঞ্জিনিয়ার দম্পতি আটক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তির প্রজ্ঞাপনে হাইকোর্টের বিস্ময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকার স্বীকার করছে না: জামায়াত আমির ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে নতুন একজোড়া কমিউটার ট্রেন চালুর উদ্যোগ টেস্ট সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বিনোদন জগতে তারকাদের সংসার ভাঙার প্রবণতা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

শোবিজ জগতে সংসার ভাঙার ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। বিশেষ করে যেহেতু শিল্পীরা পাবলিক ফিগার, তাদের ব্যক্তিগত জীবন সাধারণ মানুষের নজরে থাকে। সংসারের ভাঙন স্বামী-স্ত্রী উভয়ের জন্যই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সন্তান থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়, কারণ শিশুদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহবিচ্ছেদের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী হয়। এই প্রেক্ষাপটে অনেক শোবিজ তারকার জীবন-ঘটনাবলি আলোচিত হয়ে ওঠে।

প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা তিনবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। প্রথম স্বামী ছিলেন খাজা জাভেদ কায়সার। বিবাহবিচ্ছেদের পর দ্বিতীয়বার সুইস নাগরিক রন ড্যানিয়েলকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিবাহও শেষ হওয়ার পর ১৯৯৯ সালে তিনি অভিনেতা আলমগীরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রুনার প্রথম সংসারে একটি কন্যা, তানি লায়লা রয়েছে।

চলচ্চিত্র অভিনেতা আলমগীর ১৯৭৩ সালে গীতিকার খোশনূর আলমগীরকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে এক পুত্র ও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে, যাদের মধ্যে একজন গায়িকা আঁখি আলমগীর। খোশনূরের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ১৯৯৯ সালে আলমগীর রুনা লায়লাকে বিয়ে করেন।

সাবিনা ইয়াসমিন তিনবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। প্রথম স্বামী আনিসুর রহমান, দ্বিতীয় স্বামী নৃত্য পরিচালক আমির হোসেন বাবু। তাদের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি কলকাতার সংগীতশিল্পী ও সুরকার কবীর সুমনের সঙ্গে বিয়ে করেন। সাবিনার দুই সন্তান—কন্যা ফাইরুজ ইয়াসমিন ও পুত্র শ্রাবণ—আছেন।

হুমায়ুন ফরীদি অভিনেতা হিসেবে দুটি বিবাহ করেছেন। প্রথম স্ত্রী নাজমুন আরা মিণুকে বিয়ে করেন ১৯৮০-এর দশকে এবং তাঁদের ঘরে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। চার বছর পর তিনি প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে বিয়ে করেন। ২০০৮ সালে এই বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

জয়া আহসান ১৯৯৮ সালে মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এবং পরবর্তী সময় আর তিনি বিয়ে করেননি।

শাকিব খান ২০০৮ সালে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। তাদের একটি সন্তান রয়েছে। ২০১৭ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে অপু থেকে আলাদা হওয়ার পর তিনি বুবলীকে বিয়ে করেন। বুবলীর সঙ্গে বিবাহ থেকে সন্তানের জন্ম হলেও, পরে গুঞ্জন অনুযায়ী তাদেরও বিচ্ছেদ ঘটে।

পরীমণি ২০১০ সালে ইসমাইল হোসেনকে বিয়ে করেন। ২০১২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ২০১২ সালে ফেরদৌস কবীর সৌরভকে বিয়ে করেন, যা ২০১৪ সালে শেষ হয়। ২০১৯ সালে তামিম হাসানকে বিয়ে করেন, যা ২০২০ সালে শেষ হয়। একই বছরে কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করেন এবং ২০২১ সালে নায়ক শরিফুল রাজকে বিয়ে করেন, যা ২০২৩ সালে শেষ হয়।

ন্যান্সি ২০০৬ সালে ব্যবসায়ী আবু সাঈদ সৌরভকে বিয়ে করেন। ২০১২ সালে ছয় বছরের সংসার শেষ হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে নাজিমুজ্জামান জায়েদকে বিয়ে করেন। ২০২১ সালে গীতিকার মহসীন মেহেদীকে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেন।

তাহসান খান ২০০৬ সালে অভিনেত্রী মিথিলাকে বিয়ে করেন এবং ২০১৩ সালে একটি কন্যাসন্তান হয়। ২০১৭ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ২০২৫ সালে তিনি মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মিথিলা ২০০৬ সালে তাহসানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, ২০১৩ সালে একটি কন্যাসন্তান হয়, এবং ২০১৭ সালে তাহসানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ২০১৯ সালে কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন।

দিলশাদ নাহার কনা দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর বিগত বছরের ১৬ জুন বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন করেন।

সালমা ২০১১ সালে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ২০১৮ সালে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগরের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ করেন, যা পরবর্তীতে শেষ হয়।

ঘর ভাঙা অন্যান্য তারকাদের মধ্যে রয়েছেন জহির রায়হান-সুমিতা দেবী, অঞ্জু ঘোষ-এফ কবীর চৌধুরী, হৃদয় খান-সুজানা, সুবর্ণা মুস্তাফা, জেমস রথি, রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনী, পূজা, হাবিব ওয়াহিদ, মাহিয়া মাহি-অপু-রাকিব, মোনালিসা-ফাইয়াজ, এজাজ মুন্না-মম, ফয়সাল, অপি-উজ্জল, অপূর্ব-প্রভা, হিল্লোল-তিন্নি, কুমার বিশ্বজিৎ-রুনা, দেবাশীষ-তানিয়া, মিমো-রানা, শমী-রিঙ্গো, রিয়া-ইভান প্রমুখ। এ তালিকা শুধু উদাহরণস্বরূপ, আরও অনেক তারকাই রয়েছে।

প্রবীণ বিশেষজ্ঞ দিলারা জামান মনে করেন, শোবিজ তারকাদের সংসার ভাঙার মূল কারণ হলো একজন আরেকজনকে মেনে নেওয়ার অভাব। তুচ্ছ বিষয়কেও বিচ্ছেদের পথ বেছে নেওয়া হয়। অতীতের তুলনায় বর্তমান প্রজন্ম সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানবোধ কম মূল্যায়ন করে। অভিনেতা ও গায়কদের জীবন খোলা কাগজের মতো প্রকাশ্য হওয়ায় ব্যক্তিগত সমস্যা দ্রুত আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। তাই জীবনকে অর্থবহ করতে, বিশেষ করে পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে, সংসার ভাঙাকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026