1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রতিকী অনশন কর্মসূচি ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

চলতি জানুয়ারি মাস থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রতিকী অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। একই দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের সব জেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট প্রেসক্লাবের সামনে অনুরূপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় রাজধানীতে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন ও দপ্তরভিত্তিক সংগঠনের নেতাদের এক আলোচনা সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মূখ্য সমন্বয়কারী ওয়ারেছ আলী কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি জানান, জানুয়ারি মাসের মধ্যেই নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়ে এই প্রতিকী অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর রয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জোরালো হয়েছে। দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মতে, নবম পে স্কেল কার্যকর হলে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং কর্মদক্ষতা ও সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী নেতারা বলেন, বিভিন্ন সময়ে সরকারের কাছে নতুন পে স্কেল প্রণয়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ ও প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এমনভাবে যাতে সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটে।

সভায় উপস্থিত নেতারা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা জানান, একটি নতুন পে স্কেল প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রাজস্ব পরিস্থিতি, সরকারি ব্যয় কাঠামো এবং কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য নিরসনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিদ্যমান বেতন কাঠামোর সঙ্গে বর্তমান বাজারমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে সমন্বয় নেই, যা নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের ওপর তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করছে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ১১–২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরামের সভাপতি লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এম এ হান্নান, বাংলাদেশ ১৭–২০ গ্রেড কর্মচারী সমিতির সভাপতি রফিকুল আলম, বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতির আহ্বায়ক সালজার রহমান, আন্তবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক, বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির আহ্বায়ক ইছাহাক কবির, পৌর কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি একেএম নূরুজ্জামান, ১১–২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল হোসেন।

নেতারা জানান, কর্মসূচি চলাকালে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে দাবি পূরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান সম্ভব হবে এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, প্রতিকী অনশন কর্মসূচির পরও দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে ভবিষ্যতে কর্মসূচির ধরন ও পরিসর পর্যালোচনা করা হবে। তবে সব ধরনের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালিত হবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026