1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

বাংলাদেশ ভারতের প্রভাব থেকে মুক্তি পেয়েছে, মানবাধিকার কমিশন গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বর্তমান সরকার ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীনভাবে কথা বলার সক্ষমতা দিয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ড. নজরুল বলেন, সমালোচনা অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং যৌক্তিক ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। তবে কখনো কখনো সমালোচনার মাত্রা নির্দয় পর্যায়ে চলে যায়। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, যদি ১০টি কাজের মধ্যে সরকার ৪টি সম্পন্ন করে, সেক্ষেত্রে সেসব সফলতার কথা বলা উচিত, এবং অবশিষ্ট ৬টির জন্য সমালোচনা করা যেতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ সমালোচনা লক্ষ্য করা যায় না।

বিচার বিভাগের সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে ড. নজরুল বলেন, বর্তমানে পদ সৃষ্টি, বদলি, পদোন্নতি এবং বাজেট বরাদ্দসহ সব কার্যক্রম উচ্চ আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের এত বড় একটি অঙ্গের ৫৪ বছরের ইতিহাসে এ ধরনের পদক্ষেপ কি সংস্কার নয়? আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব থাকবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের উদ্যোগে গঠন করা ‘গুম কমিশন’ কার্যক্রমকে সফল আখ্যায়িত করেছেন। এই অভিজ্ঞতার আলোকে একটি হিউম্যান রাইটস কমিশন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ড. নজরুল দাবি করেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মানবাধিকার আইনগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের আইন অধিক প্রগতিশীল এবং কার্যকর। আইন অনুযায়ী অচিরেই হিউম্যান রাইটস কমিশনে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি বলেন, “আমাদের এই উদ্যোগ একটি দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের অংশ, যা সঙ্গে সঙ্গে ফল প্রদর্শন করবে না। এটি একটি বিপ্লব পরবর্তী সময়ে প্রত্যাশা ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এছাড়া পলিসি ডায়ালগে বক্তারা রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা, মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ড. নজরুলের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে যে, সরকারের বর্তমান পদক্ষেপগুলো দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত সংস্কারের উদ্দেশ্য বহন করছে এবং দেশের আইনি ও মানবাধিকার ক্ষেত্রের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com