1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

ফেলানী ও উসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৫ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্ব ও সমাজ বিজ্ঞান কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে ফেলানি হত্যাকাণ্ড দিবস উপলক্ষে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি খায়রুল আহসান মারজান বলেন, ভারতের ভূ-রাজনৈতিক নীতি ও আধিপত্যবাদী কার্যক্রমের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে অপরাধীরা আশ্রয় পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ ফেলানি, জুলাই হত্যাকাণ্ড এবং শহীদ উসমান হাদীর হত্যার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় সেখানে অবস্থান করছে।

মানববন্ধনটি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানটি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় সম্পন্ন হয়। বক্তব্যকালে খায়রুল আহসান মারজান আরও বলেন, স্বাধীনতার পরও ভারত কখনো বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে এটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে। তিনি অভিযুক্ত করেন যে, এই ধরনের কার্যক্রমের প্রভাব ফেলানি, আবরার ফাহাদ, জুলাই হত্যাকাণ্ড এবং উসমান হাদীর হত্যার ঘটনায় প্রতিফলিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফেলানি হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের উসমান হাদী হত্যাকাণ্ডসহ অন্যান্য হত্যা এখনও বিচারহীন থেকে যাচ্ছে। এই ধরনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধকে উসকে দিচ্ছে এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে।

ঢাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী বক্তব্যে বলেন, একটি জাতি তখনই সভ্য ও মানবিক হতে পারে, যখন এটি নাগরিকদের জীবন ও মর্যাদার নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম হয়। তিনি অভিযোগ করেন, আধিপত্যবাদী রাজনীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে মানুষের ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তাই ফেলানি ও উসমান হাদীর হত্যার সঙ্গে যুক্ত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শাখার দাওয়াহ সম্পাদক ইলিয়াস তালুকদার, অর্থ সম্পাদক মোঃ ইকরামুল কবির এবং ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক এরফান মোহাম্মদ। এছাড়াও বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি ও ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বশীলগণ, সাধারণ শিক্ষার্থী, সচেতন নাগরিক এবং মানবাধিকারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফেলানি ও উসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র এবং সমাজকে আরও সক্রিয় করার দাবি তোলা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026