1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইয়ামালের ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট, স্পেনের আরেকটি জয় নিউইয়র্ক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে: রাষ্ট্রপতি লন্ডন সামিটে বাংলাদেশের জ্বালানি সম্ভাবনা উপস্থাপন মিরপুরের ক্রিকেট মঞ্চে কচুয়ার সন্তান ইরফান আহমেদ তুষার থার্ড টার্মিনাল চালু হলে কেমন সেবা পাবেন যাত্রীরা? বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট’: ডি থ্রি ট্রফির ছয় দল পেল কোচিং স্টাফ ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এই সরকারের আমলে চালু হবে না: বিমান উপদেষ্টা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১২৩ বার দেখা হয়েছে

জাতীয়ডেস্ক

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এই সরকারের মেয়াদে চালু করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, “এ সরকারের সময় তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয়। আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, আমি নিজে জাপানের ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে আলোচনায় বসে দর কষাকষি করেছি, কিন্তু সাফল্য মেলেনি। বর্তমানে আমরা টার্মিনাল চালুর পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত আছি। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার।”

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক উদ্বোধন করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। তৎকালীন সরকার ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ সম্পূর্ণরূপে টার্মিনাল চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ঘন ঘন নেতৃত্ব পরিবর্তন, বিদেশ থেকে উপকরণ আনার বিলম্ব এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে নির্ধারিত সময়সীমা পেছানো হয়।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বাকি অর্থ এসেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) থেকে প্রদত্ত ঋণ। টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।

টার্মিনালের ফ্লোর স্পেস ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার এবং এতে রয়েছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৬টি ডিপার্চার ইমিগ্রেশন ডেস্ক, ৫৯টি অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং তিনটি ভিআইপি ইমিগ্রেশন ডেস্ক।

টার্মিনালটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ঢাকার বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা দ্বিগুণ হয়ে বছরে ১০ লাখ টনে পৌঁছাবে। যাত্রী পরিবহন ক্ষমতাও তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বছরে ২ কোটি ৪০ লাখে উন্নীত হবে। এ টার্মিনাল দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে এবং আন্তর্জাতিক যাত্রী ও কার্গো পরিষেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026