1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এই সরকারের আমলে চালু হবে না: বিমান উপদেষ্টা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয়ডেস্ক

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এই সরকারের মেয়াদে চালু করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, “এ সরকারের সময় তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয়। আমাদের প্রচেষ্টা ছিল, আমি নিজে জাপানের ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে আলোচনায় বসে দর কষাকষি করেছি, কিন্তু সাফল্য মেলেনি। বর্তমানে আমরা টার্মিনাল চালুর পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত আছি। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার।”

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক উদ্বোধন করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। তৎকালীন সরকার ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ সম্পূর্ণরূপে টার্মিনাল চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ঘন ঘন নেতৃত্ব পরিবর্তন, বিদেশ থেকে উপকরণ আনার বিলম্ব এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে নির্ধারিত সময়সীমা পেছানো হয়।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বাকি অর্থ এসেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) থেকে প্রদত্ত ঋণ। টার্মিনালের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।

টার্মিনালের ফ্লোর স্পেস ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার এবং এতে রয়েছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার, ৬৬টি ডিপার্চার ইমিগ্রেশন ডেস্ক, ৫৯টি অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং তিনটি ভিআইপি ইমিগ্রেশন ডেস্ক।

টার্মিনালটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ঢাকার বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা দ্বিগুণ হয়ে বছরে ১০ লাখ টনে পৌঁছাবে। যাত্রী পরিবহন ক্ষমতাও তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বছরে ২ কোটি ৪০ লাখে উন্নীত হবে। এ টার্মিনাল দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে এবং আন্তর্জাতিক যাত্রী ও কার্গো পরিষেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026