1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে পদত্যাগের ঝড়, জামায়াতে ইসলামী জোটে বিভাজন

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর অভ্যন্তরে সম্প্রতি পদত্যাগের ঝড় বইছে। দলের অন্তত দেড় ডজন নেতা তাদের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে দলের ১২ দলের জোটে জামায়াতে ইসলামীকে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত। পদত্যাগকারীরা মনে করছেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে এনসিপির প্রভাব কমে গেছে এবং তাই তারা দলের বাইরে যাওয়াই শ্রেয় মনে করছেন।

দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার জানান, পদত্যাগের কারণে কিছুটা দোলাচল থাকলেও, দলের অধিকাংশ নেতা ১২ দলীয় জোটের পক্ষে রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, শূণ্যস্থানগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে এবং দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে। দলের নেতৃত্বে আছেন নাহিদ ইসলাম। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন ২০০৫ সালের ২৪ জুলাইয়ের অভ্যুত্থান এবং জুলাই আন্দোলনের তরুণ নেতারা। দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়।

গত ১০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে এনসিপি। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এবি পার্টি ও রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জোট গঠন করে দলটি। দুই সপ্তাহের মাথায় জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে নির্বাচনী জোটে নতুন আলোচনা শুরু হয়।

জোট সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্তের পর দলের ভেতরে মতপার্থক্য স্পষ্ট হতে শুরু করে। ৩০ জন নেতা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। জামায়াত জোটের সিদ্ধান্তে দলের পদক্ষেপ অটল থাকায় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি এবং তৃণমূলের অন্তত দেড় ডজন নেতা দল ছেড়ে যান। পদত্যাগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ আবার রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।

দল ছাড়ার নেতাদের মধ্যে অনেকে মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনে পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আপস করা হয়েছে, যা তাদের কাছে আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্নকারী। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তারা এই পদক্ষেপকে দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন।

সারোয়ার তুষার আরও জানান, এনসিপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী; তাই দলে যে শূণ্যস্থান তৈরি হয়েছে সেগুলো পূরণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দলের অধিকাংশ নেতা ১২ দলীয় জোটের পক্ষে রয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া চলমান। পদত্যাগ সত্ত্বেও দল নির্বাচনের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ছোট ও নবাগত রাজনৈতিক দলগুলোতে জোটগঠন এবং অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সাধারণ। তবে নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় নেতাদের কার্যক্রম এবং পদক্ষেপ দলের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এনসিপি–এর এই পদক্ষেপ নির্বাচনে তাদের প্রভাব এবং ভোটের ভাগাভাগিতে প্রভাব ফেলবে কিনা তা নির্বাচন পর্বে স্পষ্ট হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026