1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের আগে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার করার তাগিদ বিএনপি মহাসচিব: স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বর্তমান রাজনৈতিক চক্রান্তে লিপ্ত বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না, বিকল্প দল নির্ধারণ আইসিসির দায়িত্ব বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ডিএমডিসি শোকজ করেছে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ১৩তম সাধারণ নির্বাচনে ভোটারের মনোনয়ন, বিএনপি ও জামায়াতের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে অযৌক্তিক শর্ত মানবে না: ড. আসিফ নজরুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ দুই বছরের আগে বাড়িভাড়া বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নতুন নির্দেশনা আশা ভোঁসলের সংগীতজীবন ও রন্ধনসংস্কৃতির বহুমাত্রিক পথচলা

চরমোনাই পীর-মামুনুলের দল থাকছে না জামায়াত জোটে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রিক আটটি ইসলামী দল আসন বণ্টন নিয়ে সমঝোতায় জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। একাধিক বৈঠকের পরও দলগুলো একক প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উচ্চ আসনের দাবি এই পরিস্থিতির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শতাধিক আসনের দাবিদার, আর মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি আসন চাচ্ছে। অন্য দলগুলোরও উল্লেখযোগ্য আসনের দাবির কারণে জামায়াতের জন্য তার কাঙ্ক্ষিত আসন বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

জোটসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রত্যাশিত আসন না পেলে ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সমঝোতা প্রক্রিয়া থেকে সরে গিয়ে আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথাও ভাবতে পারে। এই সম্ভাবনার পেছনে রাজনৈতিক মহলের নীরব সমর্থনের ইঙ্গিতও শোনা যাচ্ছে।

নতুন আলোচনায় এসেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে প্রায় ৫০টি আসনের প্রত্যাশা করছে। এনসিপি যুক্ত হলে অন্যান্য দলের জন্য ছাড় বাড়াতে হবে, যা সমঝোতাকে আরও জটিল করে তুলছে। এই পরিস্থিতি জামায়াতকেন্দ্রিক নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাগপা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। লক্ষ্য ছিল ইসলামী দলগুলোর ভোট একত্রিত করে সরকার গঠনের পথে এগোনো। তবে শেষ মুহূর্তে আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ সেই উদ্যোগকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও আট দলের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে। তিনি জানান, “কোনো দলের জন্য নির্দিষ্ট আসন নেই, আসন সবার। সবাই ছাড় দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে যাবে।” তিনি আরও জানান, এনসিপিসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে এবং খুব শিগগিরই সমঝোতার চূড়ান্ত রূপ স্পষ্ট হবে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, নতুন দলের যুক্ত হওয়ার কারণে আলোচনা কিছুটা সময় নিচ্ছে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত জটিলতা তৈরি হয়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতারা জানান, তারা ঐক্য বজায় রাখতে চাই, তবে সেটি দলের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে। সম্মানজনক আসন না পেলে বিকল্প পথ ভাবা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, শীর্ষ পর্যায়ে আরও বৈঠকের মাধ্যমে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। খেলাফত মজলিসের আরেক নেতা ড. আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, এখনো আলোচনার সময় আছে এবং মনোনয়ন জমার পরও কিছু আসনে সমঝোতা হতে পারে। তার মতে, কিছু মতভেদ থাকলেও ঐক্য ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম।

সর্বমোট, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতকেন্দ্রিক ইসলামী জোটের সমঝোতা প্রক্রিয়া বিভিন্ন দলের উচ্চ আসনের দাবির কারণে জটিলতার মধ্যে রয়েছে। সমঝোতার চূড়ান্ত রূপ ও আসন বণ্টন নির্ধারণে শেষ মুহূর্তের আলোচনাই মূল সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে।

সূত্র, আমার দেশ

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com