1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বড় সহায়তা চায় বাংলাদেশ মালয়েশিয়া থেকে সৌদি আরব: বিদেশ সফরে জামায়াতের অর্ধেক এমপি জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক দূতের বৈঠক অবৈধ মেলা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন বোর্ডের চুক্তি হারালেও দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলার প্রতিশ্রুতি মিলারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সাইডলাইন বৈঠক ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় দিল্লি: জয়সওয়াল

বাংলাদেশ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

বাংলাদেশ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যকে ভুল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের প্রতি অসম্মানজনক হিসেবে মনে করছে। প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম রোববার (৯ নভেম্বর) বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে এই ধরনের মন্তব্য সহায়ক নয়।

মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা নজরে এসেছে। আমরা মনে করি, এই মন্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং সৌজন্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ঘটনাটি একটি সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষাপটে সামনে আসে। ভারতের নেটওয়ার্ক১৮ গ্রুপের প্রধান সম্পাদক রাহুল জোশির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে রাজনাথ সিং বলেন, তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব চান না, তবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার বক্তব্যে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারত বাংলাদেশ সঙ্গে উত্তেজনা চায় না এবং দুই দেশের সম্পর্ককে সহায়ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ রাখার প্রতি জোর দিয়েছেন। তবে তার মন্তব্যে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার কথা বলায় তা দেশের দৃষ্টিকোণ থেকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে আপত্তিকর হিসেবে বিবেচনা করছে এবং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আচরণ ও বক্তব্যে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। তাই, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের জন্যই বিষয়টি সংবেদনশীল এবং কূটনৈতিকভাবে সঠিকভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ সব সময় দুইপক্ষের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে প্রকাশিত মন্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সীমার বাইরে গেলে তা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বলা যায়, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক ইতিহাসগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের মন্তব্য ভবিষ্যতে কূটনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক রাখার জন্য উভয় পক্ষেই সংযম বজায় থাকবে।

মুখপাত্রের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন, এবং দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কূটনৈতিক পদ্ধতিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026