1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

বাংলাদেশ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যকে ভুল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের প্রতি অসম্মানজনক হিসেবে মনে করছে। প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম রোববার (৯ নভেম্বর) বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে এই ধরনের মন্তব্য সহায়ক নয়।

মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা নজরে এসেছে। আমরা মনে করি, এই মন্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং সৌজন্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ঘটনাটি একটি সাক্ষাৎকারের প্রেক্ষাপটে সামনে আসে। ভারতের নেটওয়ার্ক১৮ গ্রুপের প্রধান সম্পাদক রাহুল জোশির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে রাজনাথ সিং বলেন, তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব চান না, তবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার বক্তব্যে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারত বাংলাদেশ সঙ্গে উত্তেজনা চায় না এবং দুই দেশের সম্পর্ককে সহায়ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ রাখার প্রতি জোর দিয়েছেন। তবে তার মন্তব্যে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার কথা বলায় তা দেশের দৃষ্টিকোণ থেকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে আপত্তিকর হিসেবে বিবেচনা করছে এবং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আচরণ ও বক্তব্যে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। তাই, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের জন্যই বিষয়টি সংবেদনশীল এবং কূটনৈতিকভাবে সঠিকভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশ সব সময় দুইপক্ষের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে প্রকাশিত মন্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচারের সীমার বাইরে গেলে তা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য নেগেটিভ প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রসঙ্গে বলা যায়, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক ইতিহাসগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের মন্তব্য ভবিষ্যতে কূটনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক রাখার জন্য উভয় পক্ষেই সংযম বজায় থাকবে।

মুখপাত্রের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন, এবং দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কূটনৈতিক পদ্ধতিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026